Home বানিয়াচং বানিয়াচংয়ে বিএনপির দুই গ্রুপের বিরোধ তুঙ্গে,পাল্টাপাল্টি বক্তব্যে সরগরম এলাকা

বানিয়াচংয়ে বিএনপির দুই গ্রুপের বিরোধ তুঙ্গে,পাল্টাপাল্টি বক্তব্যে সরগরম এলাকা

0
শেয়ার করুনঃ
বিশেষ প্রতিনিধি ॥ বানিয়াচঙ্গে বিএনপির দুই গ্রুপের বিরোধ মাথাচাড়া দিয়ে উঠেছে। বিবদমান দুই গ্রুপের বিরোধ দীর্ঘদিন ধামাচাপা থাকলেও বিএনপি কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক ডাঃ সাখাওয়াত হাসান জীবনের সংবর্ধনা মঞ্চের চেয়ারে বসা নিয়ে বিরোধ প্রকাশ্যে রূপ নিয়েছে। মুখোমুখি অবস্থানে দলের সেক্রেটারি ফরহাদ হোসেন বকুল ও সাবেক সেক্রেটারি ওয়ারিশ উদ্দিন খানের গ্রুপ। শনিবার বানিয়াচঙ্গ বিএনপি পরিবার কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক ডাঃ সাখাওয়াত হাসান জীবনকে সংবর্ধিত করে। অনুষ্ঠানে অতিথি ছিলেন বিএনপি জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায় ও বিএনপি চেয়ারপার্সনের উপদেষ্টা ফজলুর রহমানসহ সিলেট বিভাগের বিএনপি নেতারা।

 সূত্র জানায়, সাবেক সেক্রেটারি ইউপি চেয়ারম্যান ওয়ারিশ উদ্দিন খান সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে মঞ্চের সামনের সারির চেয়ারে বসেন। অনুষ্ঠানের সঞ্চালক বর্তমান সেক্রেটারি ফরহাদ হোসেন বকুল মাইকে ঘোষণা দিয়ে ওয়ারিশ উদ্দিন খানকে প্রথম সারির চেয়ার ছেড়ে দ্বিতীয় সারিতে বসতে বলেন। একাধিকবার ঘোষণার পরও ওয়ারিশ খান সঞ্চালকের ঘোষণাকে পাত্তা দেননি। এক পর্যায়ে তারা কেন্দ্রীয় নেতাদের সামনে বাকবিতন্ডায় জড়িয়ে পড়েন। বকুল রাগান্বিত কন্ঠে আঙ্গুল উচিঁয়ে ওয়ারিশকে পেছনের চেয়ারে বসতে বলেন। ওয়ারিশও আঙ্গুল উচিঁয়ে বকুলকে পাল্টা হুমকি দেন। এ সময় কেন্দ্রের নেতারা হতবাক হন। দুগ্রুপের কর্মী সমর্থকদের মধ্যে দেখা দেয় ব্যাপক প্রতিক্রিয়া। কেন্দ্রের নেতাদের হস্তক্ষেপে তারা দুজন শান্ত হন।

দু’নেতার গ্রুপিংয়ের কারণে সংবর্ধনা অনুষ্ঠান কিছুটা হ-য-ব-র-ল হয়েছে। সূত্র জানিয়েছে, সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের জেরে গতকাল রোববার সকালে উত্তর-পশ্চিম ইউনিয়ন কমপ্লেক্স মাঠে বকুলের বিরুদ্ধে সভায় মিলিত হন ইউনিয়ন বিএনপি ও অঙ্গসহযোগি সংগঠনের নেতাকর্মীরা। এদিকে বকুল গ্রুপের মাঝে ক্ষোভ সৃষ্টি হয়েছে। বকুল গ্রুপও পাল্টা সভা ডাকার প্রস্তুতি নিচ্ছে। এ বিষয়ে ওয়ারিশ উদ্দিন খান বলেছেন, কারো বিরুদ্ধে নয়, নেতাকর্মীকে সুসংগঠিত করতে সভাপতি মকবুল ও হারুনুর রশীদের ডাকে ইউনিয়ন বিএনপি পরিবারের সহ¯্রাধিক নেতাকর্মীরা বসেছিলেন।

 এছাড়া গত উপজেলা নির্বাচনে ভাইস চেয়ারম্যান পদে দাঁিড়য়ে বকুল জামানত হারিয়েছে। আমিও দলের সেক্রেটারি ছিলাম। তিন বারের ইউপি চেয়ারম্যান। অনুষ্ঠানের মঞ্চে আমার সাথে অশোভন আচরণ করে বকুল মেধাহীন ও অযোগ্যতার পরিচয় দিয়েছে। তার মধ্যে কোনো স্থিরতা নেই। এজন্য আমি কোনো সময়ই বকুলকে আমার সমসায়িক মনে করি না। এ ব্যাপারে ফরহাদ হোসেন বকুল বলেছেন, ওয়ারিশের সঙ্গে আমার ব্যক্তিগত রেশারেশি নেই। ওয়ারিশ প্রটোকল ভেঙ্গে মঞ্চে অতিথিদের নির্ধারিত চেয়ারে বসায় অতিথিরা বসার সুযোগ পাচ্ছিলেন না। অতিথিদের বসার সুযোগ করে দিতে প্রথম সারির চেয়ার ছেড়ে তাকে ২য় সারিতে বসার অনুরোধ করেছিলাম। এতে যদি সে কষ্ট পেয়ে থাকে সেটা দলীয় ফোরামে বলতে পারত। এখন এভাবে সভা করাটা ওয়ারিশের হীনমন্যতা

শেয়ার করুনঃ

মন্তব্য করুন

Load More In বানিয়াচং