Home বানিয়াচং বানিয়াচংয়ে শাক-সবজির বাজারে আগুন,বিপাকে নিম্ন আয়ের মানুষেরা

বানিয়াচংয়ে শাক-সবজির বাজারে আগুন,বিপাকে নিম্ন আয়ের মানুষেরা

0
শেয়ার করুনঃ
 রায়হান উদ্দিন সুমন :     বানিয়াচংয়ে সবজির বাজারে আগুন লেগেছে। প্রতিদিনই লাফিয়ে বাড়ছে বিভিন্ন ধরণের সবজির দাম। বাজারে পর্যাপ্ত সবজির থাকার পরেও শীত আসতে না আসতে ই সবজির দাম প্রায় দ্বিগুন বেড়েছে। পাশাপাশি বেড়েছে চাল ও মুরগীর দাম। ফলে নিমণ আয়ের মানুষেরা পড়ছেন বিপাকে। গতকাল শুক্রবার সকালে বানিয়াচংয়ের প্রায় কয়েকটি বাজার ঘুরে শাক-সবজির দাম বাড়ার বিষয়টি চোখে পড়েছে। 
এক সপ্তাহের ব্যবধানে বাজারে ৬০টাকা কেজির কাঁচামরিচ ১৯০ টাকা থেকে ২০০ টাকায়, ৩০টাকার কেজির বেগুন ৫৫ টাকা থেকে ৬০টাকায়,৮০টাকার টমেটো ৯০টাকা থেকে ১০০টাকায়,৬০টাকার কেজির সিম ৮০টাকা থেকে ১০০টাকায়,২০টাকা কেজির আলু ৩০টাকা থেকে ৩৫টাকায়,৩৫টাকার কেজির পটল ৪৫টাকা থেকে ৫০টাকায়,৪৫টাকা কেজির করলা ৬০টাকা থেকে ৬৫টাকায়,৩০টাকা কেজির ক্ষিরা ৫৫টাকা থেকে ৬০টাকায়,৩০টাকা কেজির বরবটি ৩৫টাকা থেকে ৪০টাকায়,৩৫টাকা কেজির ফুলকপি ৭০টাকা থেকে ৮০টাকায়,৩০টাকা কেজির বাঁধাকপি ৭৫টাকা থেকে ৮০টাকায়,১৫টাকা কেজির লালশাক ৩৫টাকা ৪০টাকায়, ২০টাকা কেজির ঢুঁগিশাক ৪০টাকা থেকে ৪৫টাকায় , প্রতি পিচ লেবু ১০টাকা থেকে ১৫টাকায়,ধনিয়াপাতা ১০০টাকা কেজি,বাংলা লাউ সাইজ ভেদে ৫০টাকা থেকে ৬০টাকায়,প্রতি হালি ডিম ৪৫টাকা থেকে ৫০টাকায় বিক্রি হচ্ছে। 
অন্যান্য প্রতিটি সবজির দাম কেজিতে ৫ থেকে ১০টাকা বেড়েছে। তবে বিভিন্ন বাজার ও পণ্যের মানভেদে দাম প্রতিকেজিতে ৫ থেকে ১০টাকা পার্থক্য লক্ষ্য করা গেছে। সবজি ব্যবসায়ীরা জানিয়েছেন,পাইকারি বাজারে শীতের সবজি পর্যাপ্ত উঠছে না। অল্প পরিমান সবজি উঠছে। এতে পাইকারি ক্রেতাদের চাহিদা মিটছেনা। ব্যবসায়ী নাসির উদ্দিন জানান,এখন শীতের সবজির প্রচুর চাহিদা। কিন্তু চাহিদা অনুযায়ি সরবরাহ নেই। এ কারণে বাজারে সবজির দাম বেড়েছে। এদিকে গত এক সপ্তাহে চালের দাম বেড়েছে কেজিপ্রতি ৮টাকা থেকে ১০টাকা পর্যন্ত। 
চাউল ব্যবসায়ী শওকত আলী জানান,ঈদুল আযহার পর থেকে মোটা চালের পাইকারি দাম বাড়ছে। তাই তিনি বেশী দামে কিনে বেশী দামেই বিক্রি করছেন। তিনি আরও জানান,ঈদের পর থেকে এ পর্যন্ত মোটা ও সরু চালের দাম কেজিতে বেড়েছে ৮টাকা থেকে ১০টাকা করে। আগে ৩৫টাকায় ও সরু চাল পাওয়া যেত। কিন্তু এখন ৪২ টাকার নিচে কোন সরু চাল নেই। তাবে চালের দাম কেন বাড়ছে তা জানেন না বলে বলে দাবি করেন এই ব্যবসায়ী। 
 অন্যদিকে,গত এক সপ্তাহে ব্রয়লার মুরগীর দাম বেড়েছে কেজিতে ২০টাকা। কিছুদিন আগে এক কেজি ব্রয়লার বিক্রি হত ১৩০টাকায়। এখন তা বেড়ে হয়েছে ১৫০ থেকে ১৬০টাকা। এছাড়া কক মুরগীর দাম ২০০টাকা থেকে বেড়ে হয়েছে ২২০টাকায়। মুরগী ব্যবসায়ী রমজান আলী জানান,মুরগীর খাবারের দাম বাড়ায় খামারিরা দাম বাড়িয়েছেন।
 এ বিষয়ে বানিয়াচং ভোক্তা অধিকার পরিষদের সভাপতি সাহিবুর রহমান জানান,বর্ষার পানি না শুকানোয় সবজি চাষিরা সঠিকভাবে বাড়ির আঙিনায় চাষাবাদ করতে পারছেনা। ফলে সবজি বাজারে একটু দাম বেশী। তারপরও যদি স্থানীয় প্রশাসন থেকে বাজার নিয়মিত মনিটরিং করা হতো তাহলে কিছুটা স্থিতিশীলতা বজায় থাকতো।
শেয়ার করুনঃ

মন্তব্য করুন

Load More In বানিয়াচং