Home বানিয়াচং জেলা পরিষদ নির্বাচন : বানিয়াচংয়ে সদস্য প্রার্থীদের ব্যাপক প্রচার-প্রচারণা

জেলা পরিষদ নির্বাচন : বানিয়াচংয়ে সদস্য প্রার্থীদের ব্যাপক প্রচার-প্রচারণা

0
শেয়ার করুনঃ
রায়হান উদ্দিন সুমন :    আগামী ২৮ শে ডিসেম্বরে দেশের ৬১ টি জেলা পরিষদ নির্বাচন অনুষ্ঠানের লক্ষ্যে প্রস্ত্ততি গুটিয়ে নিয়েছে নির্বাচন কমিশন। তবে ওই নির্বাচনটি সংবিধানের সাথে সাংঘর্ষিক হওয়ার ফলে হাইকোর্টে দুইটি রীট থাকায় এখনো সন্দেহের দাঁনা বেঁধে আছে ভোটার তথা প্রার্থীদের কাছে। সবকিছু ঠিকঠাক থাকলে ঘোষিত দিনেই অনুষ্ঠিত হবে জেলা পরিষদের নির্বাচন। এদিকে জেলা পরিষদের নির্বাচনকে কেন্দ্র করে ব্যাপক প্রচার-প্রচারণা চালিয়ে যাচ্ছেন প্রার্থীরা। বানিয়াচংয়ের রাজনৈতিক অঙ্গঁন সরগরম হয়ে উঠেছে। 
প্রার্থীদের পোস্টারে ছেঁয়ে গেছে ইউনিয়ন পরিষদ প্রাঙ্গন
পোস্টার,ব্যানার আর লিফলেটে ছেঁয়ে গেছে ইউনিয়ন পরিষদ,বাজারসহ বিভিন্ন গুরুত্বপুর্ণ জায়গা। বিশেষ করে হবিগঞ্জ-২নং ওয়ার্ডের বানিয়াচং সদর ৪টি ইউনিয়নসহ বাহিরের ৩টি ইউনিয়ন পরিষদ সন্ধ্যার পরপরই সরগরম হয়ে উঠে প্রার্থীদের আনাগোনায়। সদস্য প্রার্থীরা ওই ৭টি ইউনিয়নে তাদের অবিরাম প্রচারণা চালিয়ে যাচ্ছেন। প্রার্থীরা একাধিকবার ছুটে যাচ্ছেন ভোটারদের কাছে। স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ছাড়াও সরকার দলীয় নেতা ও স্থানীয় সংসদ সদস্যের সান্নিধ্য পেতে প্রার্থীরা প্রতিদিনই ধর্ণা দিচ্ছেন তাদের কাছে। 
 নির্বাচনে ২নং ওয়ার্ডে সদস্য পদে ছায়েব আলী (টিফিন ক্যারিয়ার),মনির হোসেন খান (হাতি),ইমরান মিয়া (ক্রিকেট ব্যাট),আশরাফ আলী সোহেল (তালা),আবুহেনা মোসত্মফা কামাল (টিউব ওয়েল),মেহেরূল হক নোমান (অটোরিক্সা),সাহাবুদ্দিন আহমেদ (ঘুড়ি),মুজিবুর রহমান (উটপাখি) ও সংরক্ষিত সদস্য পদে হাসিনা আক্তার (দোয়াত কলম),ফেরদৌস আক্তার ঠাকুর (হরিণ) ও রৌশনারা ভুইয়া লাকি (ফুটবল) প্রতীক নিয়ে জেলা প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন। 
বিভিন্ন প্রার্থীদের পোস্টার
তবে জেলা পরিষদ প্রশাসক পদে অন্য কোন প্রার্থী না থাকায় বিনা প্রতিদ্বন্দ্বীতায় নির্বাচিত হয়েছেন আওয়ামীলীগের মনোনীত প্রার্থী ডা.মুশফিক হোসেন চৌধুরী। নির্বাচন হবে শুধু সদস্যদের নিয়ে। স্থানীয় সরকারের অন্য সব পদে দলীয় ভিত্তিতে ভোট হলেও জেলা পরিষদে সদস্যদের কোন দলীয় প্রতীক থাকছেনা। ইতিমধ্যে জেলা পরিষদের সদস্য ও সংরক্ষিত মহিলা সদস্য নির্বাচনের জন্য ওয়ার্ডের সীমানা নির্ধারণে বিধিমালা করা হয়েছে। 
আইন অনুযায়ী প্রতিটি জেলায় ১৫জন সাধারণ সদস্য ও ৫জন সংরক্ষিত মহিলা সদস্য নির্বাচিত হবেন। ২৫বছর বয়সী বাংলাদেশের যে কোন ভোটার জেলা পরিষদ নির্বাচনে প্রার্থী হতে পারলেও ভোট দিতে পারবেন না। পরিষদের চেয়ারম্যান নির্বাচিত হবেন পরোক্ষ ভোটে। প্রতিটি জেলার অমত্মর্ভুক্ত সিটি কর্পোরেশনের (যদি থাকে) মেয়র ও কাউন্সিলর,উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান,ভাইস চেয়ারম্যান,পৌরসভার মেয়র ও কাউন্সিলর,এবং ইউপি চেয়ারম্যান ও সদস্য জেলা পরিষদ নির্বাচনের ভোটার হবেন। তাদের ভোটেই জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও সদস্য নির্বাচিত হবেন। দলের প্রার্থীরা ছাড়াও অনেক স্বতন্ত্র প্রার্থী নির্বাচনে প্রতিদ্বন্ধীতা করছেন। রায়হান উদ্দিন সুমন
শেয়ার করুনঃ

মন্তব্য করুন

Load More In বানিয়াচং