Home বানিয়াচং বানিয়াচংয়ে অবৈধ দখলদারদের কবলে উন্মুক্ত রত্না নদী !

বানিয়াচংয়ে অবৈধ দখলদারদের কবলে উন্মুক্ত রত্না নদী !

0
শেয়ার করুনঃ
রায়হান উদ্দিন সুমন, বানিয়াচং থেকে :    বানিয়াচংয়ের একমাত্র উন্মুক্ত রত্না নদী । দরিদ্র ও সাধারণ মৎসজীবিদের মাছ ধরার স্থান। অন্যান্য ছোট হাওর-জলাশয় গ্রামবাসীরা বিভিন্ন প্রকারে লীজ দেন। ফলে গরীব দরিদ্র ও প্রকৃত মৎসজীবিরা মাছ ধরা থেকে অনেকটাই বঞ্চিত। সরকার প্রতিবছর বর্ষা মৌসুমে উন্মুক্ত রত্না নদীতে লাখ লাখ টাকার পোনা মাছ অবমুক্ত করে। উদ্দেশ্য মাছের বংশ বিস্তার ও দরিদ্র মৎসজীবি এবং সকল স্তরের লোকজন আনন্দে মাছ ধরে মাছে-ভাতে বাঙ্গালী প্রবাদটির জিইয়ে রাখবে। সরেজমিনের এর বিপরীত দিকটি লক্ষ করা গেছে। এলাকার গুটি কয়েক প্রভাশালীরা মাছ ধরার মৌসুমে পুরো রত্না নদী তাদের নিয়ন্ত্রণে নিয়ে গেছে। মাঝ নদীতে জাল ফেলে মাছের ঘের সৃষ্টি করে রেখেছে।
উন্মুক্ত রত্না নদীতে এভাবেই জাল ও বাঁশের আড় দিয়ে মাছ শিকার করে নিচ্ছে
এ ব্যাপারে উন্মুক্ত রত্না নদীর অবৈধ দখলদারদের হাত থেকে মুক্ত রাখতে দরিদ্র মৎসজীবি ও সাধারণ শৌখিন মাছ শিকারীরা জেলা প্রশাসকের কাছে আবেদন জানিয়েছেন। আবেদনে দেখা যায়,মন্দরি তথা আশেপাশের কয়েকটি গ্রামের প্রভাবশালী লোকেরা প্রতাপুর হইতে সুনামপুর হয়ে মন্দরি পর্যন্ত নদীতে বাশ ও জাল দিয়ে ৩০/৩৫টি ঘের তৈরী করে অবাধে লাখ লাখ টাকার সরকারি মাছ জোর-জবর দখল করে নিয়ে যাচ্ছে। দখলদারীরা সম্পুর্ণ জোর করে ও মৎসজীবিদের মারপিটের ভয় দেখিয়ে বছরের পর বছর বানিয়াচংয়ের একমাত্র উন্মুক্ত নদী প্রশাসনকে বৃদ্ধাঙ্গুল দেখিয়ে প্রকাশ্যে লাখ লাখ টাকার মাছ লুট করে নিয়ে যাচ্ছে। 
অবৈধভাবে এই নদীতে মাছ ধরা নিয়ে উপজেলা আইনশৃঙ্খলা সভায় একাধিকবার আলোচনাও হয়েছে। কিন্তু কাজের কাজ কোন কিছুই হয়নি। আবেদনের অনুলিপি এলাকার সংসদ সদস্য,উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান,উপজেলা নির্বাহী অফিসার,সহকারি কমিশনার (ভূমি) থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ও মৎসকর্মকর্তার বরাবরে প্রেরন করা হয়েছে। এ ব্যাপারে উপজেলা মৎস কর্মকর্তা মাকসুদুল হক ভুইয়া বলেন- বিষয়টি আমাদের নজরে এসেছে। অবৈধ দখলদারদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।
শেয়ার করুনঃ

মন্তব্য করুন

Load More In বানিয়াচং