Home বানিয়াচং বানিয়াচঙ্গে ডাকাত সর্দার ঝিলকীসহ ৩ ডাকাত গ্রেফতার ॥ পুলিশের সাথে গুলি বিনিময়-

বানিয়াচঙ্গে ডাকাত সর্দার ঝিলকীসহ ৩ ডাকাত গ্রেফতার ॥ পুলিশের সাথে গুলি বিনিময়-

0
শেয়ার করুনঃ

বিশেষ প্রতিনিধি :  বানিয়াচং উপজেলার কুখ্যাত ডাকাত সর্দার সাইফুল ইসলাম ওরফে ঝিলকীকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। বুধবার বিকেলে উপজেলার ইউসুফপুর গ্রাম থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়। এ সময় পুলিশের সাথে তার গুলি বিনিময়ের ঘটনা ঘটে। এদিকে সন্ধ্যার দিকে একই গ্রাম থেকে আরও দুই ডাকাতকে পাকড়াও করে পুলিশে সোপর্দ করেছে জনতা। এরা হলো আতুকুড়া গ্রামের আজম মিয়া (৩৫) ও মুরাদপুর ইউনিয়নের হাড়পুর গ্রামের আবদুল বারিক (৩০)। জনতার গণধোলাইয়ে আহত দুই ডাকাতকে বানিয়াচং হাসপাতালে চিকিৎসা দেয়ার পর হবিগঞ্জ সদর আধুনিক হাসপাতালে রেফার করা হয়েছে। তবে হাসপাতালের রেজিস্ট্রারে দুই ডাকাতের পিতার নাম লিখা ছিল না। পুলিশ তাদেরকে হাসপাতালে নিয়েছেন বলে হাসপাতাল সূত্র জানিয়েছে।

অপরদিকে দুর্ধর্ষ ডাকাত ঝিলকী গ্রেফতারের খবরে পুরো এলাকায় আনন্দের বন্যা বইছে। স্বস্থি ফিরে এসেছে জনমনে।
পুলিশ ও স্থানীয়রা জানিয়েছেন, উপজেলা সদরের মাদারীটুলা গ্রামের মতিউর রহমানের ছেলে সাইফুল ইসলাম ঝিলিক (৩২) এলাকার কুখ্যাত ডাকাত। তার বিরুদ্ধে হত্যা, ডাকাতি, ছিনতাইসহ ডজনখানে মামলার পরোয়ানা রয়েছে। পুলিশের গ্রেফতার এড়ানোর জন্য সে কাগাপাশা ইউনিয়নের ইউসুফপুর গ্রামে নদীর পাড়ে তার ভায়রা ভাই ইসমত মিয়ার নির্জন বাড়িতে আশ্রয় নেয়। গোপন সংবাদে খবর পেয়ে ওসি মোজাম্মেল হকের নেতৃত্বে একদল পুলিশ বুধবার বিকেলে নৌকা যোগে ইউসুফপুর গ্রামে গিয়ে ইসমত মিয়ার বাড়ি ঘেরাও করে। এ সময় ঘর থেকে পুলিশকে লক্ষ্য করে ঝিলিক গুলিবর্ষণ করে। পুলিশ পাল্টা গুলিবর্ষণ করে কৌশলে ঝিলিককে গ্রেফতার করে।
বিকাল সাড়ে ৫টার দিকে বানিয়াচং থানার ওসি মোজাম্মেল হক জানান, অভিযান অব্যাহত আছে। বিস্তারিত পরে জানানো হবে। রাত ৯টার দিকে একাধিকবার ওসি মোজাম্মেল হককে ফোন দিলেও তিনি সাংবাদিকদের ফোন রিসিভ করেননি। পরে ডিউটি অফিসার এসআই খায়ের এর সাথে ফোনে যোগাযোগ করলে তিনি জানান, এ ব্যাপারে ওসির সাথে যোগাযোগ করতে। তবে একটি সূত্র জানিয়েছে আজ বৃহস্পতিবার হবিগঞ্জ এসপি অফিসে কুখ্যাত ডাকাত ঝিলকীর আটকের বিষয়ে সাংবাদিকদের সাথে ব্রিফ করা হবে।

শেয়ার করুনঃ

মন্তব্য করুন

Load More In বানিয়াচং