Home বানিয়াচং ডা: জীবনকে পদত্যাগ করতে বললেন বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দ

ডা: জীবনকে পদত্যাগ করতে বললেন বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দ

0
শেয়ার করুনঃ

বিশেষ প্রতিনিধি : সাংগঠনিক কাজে ত্রাণ বিতরণে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আববাস,চেয়ারপার্সন এর উপদেষ্টা আবুল খায়ের ভুইয়া,সাবেক এমপি শাম্মি আক্তারসহ আরও কয়েকজন কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দদের নিয়ে বিএনপির একটি টিম সোমবার সিলেটে এসে পৌছান। যার দেখভাল করার দায়িত্বে ছিলেন বিএনিপর সিলেট বিভাগীয় দায়িত্বপ্রাপ্ত সাংগঠনিক সম্পাদক ডা: সাখাওয়াত হাসান জীবন। পূর্ব ঘোষিত কর্মসূচী অনুসারে সকালে ত্রাণ বিতরণের উদ্দেশ্যে সিলেট এর আশেপাশে বন্যা কবলিত এলাকায় বের হন ঢাকা থেকে আগত বিএনপির নেতাদের টিম। প্রথমেই টিমটি সিলেট এর দক্ষিণ সুরমার বন্যা কবলিত এলাকায় যান। সেখানে গিয়ে দেখতে পান ত্রাণ নেয়ার জন্য কোন মানুষই আসেনি। বন্যা কবলিত মানুষ জানে ই না আজ ত্রাণ বিতরণ করা হবে। তাই অসংখ্য ত্রাণ থাকা সত্ত্বেও মানুষ না থাকার কারণে তারা সেখানে বেশিক্ষণ অবস্থান না করে অন্য জায়গায় ত্রাণ বিতরণের উদ্দেশ্যে রওয়ানা দেন। ত্রাণ কার্যক্রমের অব্যবস্থাপনায় চরম মন:ক্ষুন্ন হন কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দ। এবং পরবর্তিতে যখন কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দ কুলাউড়া উপজেলায় ত্রাণ বিতরণ করতে যান তখন মির্জা আববাস এবং কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দ কুলাউড়ার সাবেক এমপি এম.এ শাহিন এর নেতাকর্মী দ্বারা ত্রাণ বিতরণে বাধার সম্মুখীন হন। পরবর্তীতে সেই উপজেলায় মাত্র মিনিট পাঁচেক ত্রাণ বিতরণ করে মির্জা আববাসের নেতৃত্বে দলটি তড়িঘড়ি করে উক্ত স্থান ত্যাগ করেন। এসব কার্যক্রমের সার্বিক দায়িত্বে ছিলেন ডা: জীবন। তার এই চরম অদক্ষতার পরিচয়ে ক্ষুব্ধ হন নেতৃবৃন্দরা।


সকল কার্যক্রম শেষ করে ঢাকা থেকে আগত টিমটি সিলেটের হোটেলে এসে পৌছালো হোটেল লবিতে উপস্থিত অসংখ্য সংবাদকর্মী ও বিএনপি দলীয় নেতাকর্মীদের সামনেই ডা:সাখাওয়াত হাসান জীবনের উপর চরম অসন্তুষ্টি প্রকাশ করেন কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দ। একপর্যায়ে দায়িত্বহীনতার কারণে তাকে সাংগঠনিক পদ থেকে পদত্যাগ করতে বলেন মির্জা আববাস,আবুল খায়ের ভূইয়াসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ। প্রতিটি প্রোগ্রামে কোন দায়িত্ব পালন না করায় তারা খুব ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন আপনার কর্মকান্ডে আপনার বিরুদ্ধে কেন্দ্রের কাছে নালিশ করবো। পাশাপাশি সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেয়ার জন্য প্রস্তাব করবো। এতে বিচলিত হয়ে ডা: জীবন কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দদের উত্তেজনা প্রশমিত করার চেষ্টা করেন। কিন্তু কেন্দ্রীয় নেতারা তার কথার কোন কর্ণপাত না করে তড়িঘড়ি করে হোটেল লবি ত্যাগ করেন।

 

সুত্র : শীর্ষ খবর ডটকম

শেয়ার করুনঃ

মন্তব্য করুন

Load More In বানিয়াচং