Home বানিয়াচং বানিয়াচংয়ে ওএমএস’র ১৮ বস্তা চাউল জব্দ ! বিক্ষোভের মুখে ডিলারের পলায়ন

বানিয়াচংয়ে ওএমএস’র ১৮ বস্তা চাউল জব্দ ! বিক্ষোভের মুখে ডিলারের পলায়ন

0
শেয়ার করুনঃ

বানিয়াচং নিউজ ২৪ ডটকম : বানিয়াচংয়ে হতদরিদ্রদের জন্য বরাদ্দকৃত ১০টাকা কেজি দরে চাউল খোলা বাজারে বিতরণ না করে কালোবাজারে বিক্রির অভিযোগ উঠেছে ডিলার হাফিজ মিয়ার বিরম্নদ্ধে। সে বানিয়াচং ২নং উত্তর-পশ্চিম ইউনিয়নের গরীব হোসেন মহলস্নার আলী আহমদ মিয়ার পুত্র। এ অভিযোগে ডিলার হাফিজ মিয়াকে বরখাসত্ম করে নতুন ডিলার দেয়ার জন্য বিক্ষোভ করেছে এলাকাবাসী। একপর্যায়ে প্রশাসনের উপস্থিতি এলাকাবাসীর বিক্ষোভের মুখে টিকতে না পেরে পালিয়ে যায় ডিলার হাফিজ। হাফিজ উপজেলা যুবলীগের বর্তমান কমিটির পাঠাগার বিষয়ক সম্পাদক।

সুত্র জানায়, বানিয়াচং ২নং ইউনিয়নের ৫/৬নং বাজারের ওএমএসে’র ডিলার হাফিজ মিয়া গত শনি,রবি ও সোমবার ১০টাক কেজি দরে সরকারি চাউল বিতরণ করেন। এসময় হাফিজ ও তার লোকেরা প্রত্যেককে ৩০ কেজি করে চাউল দেয়ার কথা থাকলেও বিতরণ করা হয় ২৫ থেকে ২৭ কেজি করে। রবিবার রাতে তার পার্শ্ববর্তী দোকানের মুদি ব্যবসায়ী শফিক মিয়ার নিকট ২০টাকা কেজি দরে ১৮বসত্মা চাউল বিক্রি করে দেন তিনি।

সোমবার ওই চাউল ভোক্তাদের মধ্যে বিক্রি শুরু করলে বিকালের দিকে বাজার সভাপতি মকবুল হোসেনসহ অন্যান্য লোকজন ঠের পেয়ে স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান ওয়ারিশ উদ্দিন খানকে অবগত করেন। পরে চেয়ারম্যান উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোহাম্মদ আসাদুজ্জামানকে মোবাইল ফোনে বিষয়টি জানান।

সন্ধ্যায় ইএনওসহ উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক কর্মকর্তা খালেদ মিয়াকে সাথে নিয়ে ঘটনাস্থলে উপস্থিত হন। কালোবাজারে বিক্রি হওয়া ১৮বসত্মা চাউল জব্দ করে স্থানীয় চেয়ারম্যানের নিকট হস্তান্তর করা হয়। ইউএনও’র উপিস্থিতি দেখে বাজারের শতাধিক ব্যবসায়ী ও ভুক্তভোগীরা জড়ো হয়ে ডিলার হাফিজের বিরুদ্ধে ওজনে কম দেয়া,অসদাচরণসহ নানা অভিযোগ তোলে ধরেন। এবং দৃষ্টামত্মমূলক শাসিত্ম দাবী করেন। উত্তেজিত জনতার উদ্দেশ্যে ইউএনও মোহাম্মাদ আসাদুজ্জামান বলেন,গরীবের হক কাউকে আত্নসাৎ করতে দেয়া হবেনা। জেলা প্রশাসনকে অবহিত করা হবে। ওই ডিলারের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত হলে তার ডিলারশীপ বাতিলসহ প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।

শেয়ার করুনঃ

মন্তব্য করুন

Load More In বানিয়াচং