• বুধবার, ১৭ জুন ২০২৬, ০৮:৪১ অপরাহ্ন
Headline
বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়ের সচিব হলেন বানিয়াচংয়ের কৃতি সন্তান সরফ উদ্দিন আহমেদ চৌধুরী ইকবাল বানিয়াচংয়ে যুবকদের নতুন স্বপ্ন দেখাচ্ছে ‘জেএস মোবাইল রিপেয়ারিং ট্রেনিং সেন্টার’ বানিয়াচং সন্দলপুর ভি সি উচ্চ বিদ্যালয়ের এডহক কমিটির সভাপতি হলেন সাংবাদিক সাইফুর রহমান তারেক শরীরে অভিনব কায়দায় গাঁজা পেঁচিয়ে পরিবহনকালে যুবক আটক হবিগঞ্জে ডেঙ্গু-চিকনগুনিয়া প্রতিরোধে পরিচ্ছন্নতা অভিযান শতবর্ষী এল আর সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের পুকুর-হারিয়েছে তার আগের রুপ হবিগঞ্জের গ্রান্ড নবাব রেস্টুরেন্ট এন্ড পার্টি সেন্টার : আধুনিক খাবার ও আয়োজনের নতুন ঠিকানা হবিগঞ্জে প্রথম বেসরকারি সুইমিং পুলের শুভ উদ্বোধন সোমবার : বিনোদনে নতুন মাত্রা জেলা পর্যায়ে স্টার্টআপ, ইনোভেশন ও সাইন্স প্রজেক্ট শোকেসিংয়ে তৃতীয় হয়েছে এন এইচ জাহেদ একাডেমি হবিগঞ্জে রবীন্দ্রনাথ ও নজরুলের জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে আলোচনা সভা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান

শতবর্ষী এল আর সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের পুকুর-হারিয়েছে তার আগের রুপ

ইমতিয়াজ আহমেদ লিলু / ১৪০ Time View
Update : মঙ্গলবার, ১৬ জুন, ২০২৬

হবিগঞ্জের বানিয়াচং উপজেলার ঐতিহ্যবাহী শতবর্ষী শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এল.আর সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের পুকুরটি একসময় ছিল স্বচ্ছ পানিতে ভরপুর, যা শিক্ষার্থী ও এলাকাবাসীর জন্য ছিল গুরুত্বপূর্ণ সম্পদ। কিন্তু সময়ের ব্যবধানে সেই পুকুর আজ হারিয়েছে তার আগের রূপ।

বর্তমানে পুকুরটি সম্পূর্ণভাবে কচুরিপানায় আচ্ছাদিত হয়ে পড়েছে। দূর থেকে দেখলে এটি পুকুর নাকি সবুজ জমি—তা বোঝার কোনো উপায় নেই। পানির অস্তিত্ব আছে কি না, সেটিও অনুধাবন করা কঠিন হয়ে পড়েছে।

স্থানীয়দের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে পুকুরটি সংস্কার বা পরিষ্কারের কোনো উদ্যোগ নেওয়া হয়নি। ফলে ধীরে ধীরে কচুরিপানা জমে পুকুরটি প্রায় ভরাটের অবস্থায় পৌঁছেছে। এতে করে পুকুরের পানি ব্যবহার অনুপযোগী হয়ে পড়েছে এবং পরিবেশগত ভারসাম্যও বিঘ্নিত হচ্ছে।


বিদ্যালয়ের ৯৭ ব্যাচের সাবেক শিক্ষার্থী মোঃ জাহিদুল ইসলাম বলেন, “আমাদের সময় এই পুকুরের পানি ছিল একেবারে স্বচ্ছ। আমরা এখানে সাঁতার কাটতাম, বিভিন্ন কাজে ব্যবহার করতাম। এখন দেখে খুবই কষ্ট লাগে।”

 ১৭ ব্যাচের সাবেক শিক্ষার্থী রফিকুল হক জানান, “এটি শুধু একটি পুকুর নয়, আমাদের স্মৃতির অংশ। দ্রুত পরিষ্কার ও সংস্কার করা না হলে ভবিষ্যৎ প্রজন্ম এই ঐতিহ্য সম্পর্কে কিছুই জানতে পারবে না।”

বর্তমান ছাত্র কামাল হোসেন বলেন, “বিদ্যালয়ের পরিবেশ সুন্দর রাখতে এই পুকুরটির গুরুত্ব অনেক। কর্তৃপক্ষের উচিত দ্রুত কচুরিপানা অপসারণ করে পুকুরটি পুনরুদ্ধার করা।”

বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ও সচেতন মহল মনে করেন, দ্রুত পুকুরটি সংস্কার ও কচুরিপানা অপসারণ করা জরুরি। তা না হলে ঐতিহ্যবাহী এই প্রতিষ্ঠানের একটি গুরুত্বপূর্ণ সম্পদ পুরোপুরি হারিয়ে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দ্রুত হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন এলাকাবাসী।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category

ফেসবুকে আমরা