• বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর ২০২৬, ০২:২৮ অপরাহ্ন
Headline
প্রতিমা বিসর্জনে শেষ হলো শারদীয় দুর্গাপূজা-বিষাদে বিদায় নিলেন দেবী দুর্গা বানিয়াচং মডেল প্রেসক্লাবের অভিষেক অনুষ্ঠানে দুই গুণী ব্যক্তিকে সম্মাননা প্রদান ডেঙ্গু ও চিকুনগুনিয়া প্রতিরোধে হবিগঞ্জে জেলা তথ্য অফিসের স্টিকার বিতরণ বানিয়াচংয়ে দুর্গাপূজার নবমীতে মণ্ডপে মণ্ডপে ভক্তদের ঢল : বিদায়ের অপেক্ষায় দেবী দুর্গা বানিয়াচংয়ের গর্ব শরফ উদ্দিন আহমদ চৌধুরী পেলেন বাণিজ্য সচিবের দায়িত্ব মীম নিখোঁজের এক মাস-পুলিশের বক্তব্য ‘আমরা কাজ করে যাচ্ছি’ “৩৭ জনের ক্ষত শুকায়নি-আবারও নিখোঁজ হবিগঞ্জের ১০ জন—উদ্বেগে ভাটির জনপদ” হবিগঞ্জে মানবতা ও সাম্যের বাণীতে লালন সাঁইকে স্মরণ দলীয় ফোরাম উপেক্ষা করে ফেসবুকে মনগড়া অভিযোগ : বিব্রত বানিয়াচং বিএনপি শান্তিপূর্ণ দুর্গাপূজা আয়োজনে তৎপর হবিগঞ্জ জেলা প্রশাসন

জলজ ফুলের রাজ্যে মুগ্ধতা ছড়াচ্ছে বানিয়াচং ভবানীপুরের পদ্মবিল

বিশেষ প্রতিনিধি / ১৭৩ Time View
Update : বুধবার, ২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

হবিগঞ্জের বানিয়াচং উপজেলার ১০নং সুবিদপুর ইউনিয়নের ভবানীপুর গ্রামের পাশে বিস্তীর্ণ জলাভূমিজুড়ে ফুটে আছে অসংখ্য পদ্মফুল। সবুজ পদ্মপাতার ফাঁকে ফাঁকে ফুটে থাকা গোলাপি-সাদা পদ্মের অপরূপ সৌন্দর্যে যেন সাজানো হয়েছে পুরো বিল। স্থানীয়দের কাছে এটি পরিচিত ভবানীপুরের পদ্মবিল নামে।

সকাল গড়িয়ে দুপুর হলেই পদ্মবিলের সৌন্দর্য উপভোগ করতে উপজেলার বিভিন্ন এলাকা ছাড়াও দূর-দুরান্ত থেকে ছুটে আসেন নানা বয়সী মানুষ। কেউ পরিবার নিয়ে, কেউ বন্ধুদের সঙ্গে আবার কেউবা একা এসে পদ্মফুলের সৌন্দর্য উপভোগ করেন। অনেকেই মোবাইল ফোনে ছবি ও ভিডিও ধারণ করে স্মৃতিকে ধরে রাখছেন।

সরেজমিনে দেখা যায়, বিলের বিস্তীর্ণ জলরাশির ওপর ছড়িয়ে রয়েছে সবুজ পদ্মপাতা। এর মাঝখানে মাথা উঁচু করে ফুটে আছে অসংখ্য গোলাপি ও সাদা পদ্ম। পানিতে পদ্মপাতার প্রতিচ্ছবি আর বাতাসে দুলতে থাকা পদ্মফুল মুগ্ধ করছে দর্শনার্থীদের। প্রাকৃতিক এই সৌন্দর্য যে কারও মনকে প্রশান্ত করে তুলছে।

বাহুবল থেকে আসা দর্শনার্থী রেহমান খান বলেন, এখানে এসে মনে হচ্ছে শহরের ব্যস্ততা থেকে অনেক দূরে প্রকৃতির কাছে চলে এসেছি। চারদিকে এত পদ্মফুল—দৃশ্যটি সত্যিই মনোমুগ্ধকর। পরিবার-পরিজন নিয়ে এখানে সময় কাটাতে বেশ ভালো লাগে।

আজমিরীগঞ্জ থেকে আসা আরেক দর্শনার্থী বিপ্লব দাস বলেন, ছোটবেলা থেকেই পদ্মফুল দেখেছি, কিন্তু এত বিস্তীর্ণ জায়গাজুড়ে একসঙ্গে এত পদ্মফুল আগে দেখিনি। জায়গাটির সৌন্দর্য ধরে রাখতে হলে বিলটি পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখা এবং দর্শনার্থীদের জন্য নিরাপদ পরিবেশ নিশ্চিত করা দরকার।

স্থানীয়রা জানান, পদ্মফুলের মৌসুমে ভবানীপুরের এই বিলের সৌন্দর্য আরও কয়েকগুণ বেড়ে যায়। প্রতিদিনই বিভিন্ন এলাকা থেকে মানুষ এখানে আসছেন। যথাযথভাবে পরিকল্পনা ও সংরক্ষণ করা গেলে ভবানীপুরের এই পদ্মবিলটি বানিয়াচংয়ের অন্যতম আকর্ষণীয় প্রাকৃতিক দর্শনীয় স্থান হিসেবে পরিচিতি পেতে পারে।

প্রকৃতিপ্রেমীদের প্রত্যাশা, পদ্মবিলটির প্রাকৃতিক পরিবেশ ও সৌন্দর্য রক্ষায় সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেবে। পাশাপাশি দর্শনার্থীরাও বিলের পরিবেশ নষ্ট না করে পদ্মফুল ও জলজ উদ্ভিদ সংরক্ষণে সচেতন ভূমিকা রাখবেন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category

ফেসবুকে আমরা