আগামীকাল (২৮মে) বৃহস্পতিবার পবিত্র ঈদুল আজহা। মুসলিম উম্মাহর অন্যতম বৃহৎ ধর্মীয় উৎসবকে ঘিরে সারা দেশের মতো বানিয়াচংয়েও চলছে ব্যাপক প্রস্তুতি ও উৎসবের আমেজ। ত্যাগ, কোরবানি ও আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জনের বার্তা নিয়ে প্রতি বছর এ ঈদ আসে মুসলমানদের জীবনে এক অনন্য তাৎপর্য নিয়ে।
ঈদের দিন ভোর থেকেই মসজিদ ও ঈদগাহে নামাজ আদায়ের জন্য মুসল্লিদের ঢল নামবে। ইতোমধ্যে বিভিন্ন ঈদগাহ পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন করা হয়েছে। স্থানীয় প্রশাসন ও মসজিদ কমিটির পক্ষ থেকে নেওয়া হয়েছে প্রয়োজনীয় নিরাপত্তা ও ব্যবস্থাপনা উদ্যোগ।
কোরবানির পশুর হাটগুলোতে শেষ মুহূর্তের কেনাবেচায় উপচে পড়া ভিড় বেড়েছে। ক্রেতারা তাদের সামর্থ্য অনুযায়ী পশু কিনছেন, আর বিক্রেতারাও সন্তোষজনক বিক্রির আশা করছেন। বিশেষ করে মাঝারি আকারের গরুর চাহিদা বেশি লক্ষ্য করা গেছে।
এদিকে, ঈদকে সামনে রেখে বাজারগুলোতেও ছিল মানুষের ব্যাপক উপস্থিতি। নতুন পোশাক, কসমেটিকসসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসপত্র কেনাকাটায় ব্যস্ত সময় পার করেছেন ক্রেতারা। তবে মাঝে মাঝে বৃষ্টির কারণে কেনাকাটায় কিছুটা ভোগান্তিও পোহাতে হয়েছে।
স্বাস্থ্যবিধি ও পরিবেশ রক্ষার বিষয়টি মাথায় রেখে কোরবানির বর্জ্য দ্রুত অপসারণে স্থানীয় কর্তৃপক্ষ প্রস্তুতি নিয়েছে। নির্দিষ্ট স্থানে পশু জবাই ও বর্জ্য ব্যবস্থাপনার জন্য জনগণকে সচেতন করা হচ্ছে।
স্থানীয় এক মুসল্লি বলেন, “ঈদুল আজহা আমাদের ত্যাগের শিক্ষা দেয়। আমরা যেন শুধু পশু কোরবানি না করে নিজের ভেতরের খারাপ দিকগুলোও ত্যাগ করতে পারি, সেটাই কামনা।”
সবশেষে, ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্যের মধ্য দিয়ে পরিবার-পরিজন, আত্মীয়-স্বজন ও দরিদ্রদের সঙ্গে আনন্দ ভাগাভাগির মধ্য দিয়ে উদযাপিত হবে পবিত্র ঈদুল আজহা—এমন প্রত্যাশা সবার।