• বুধবার, ২৬ অগাস্ট ২০২৬, ১১:১৪ পূর্বাহ্ন
Headline
বানিয়াচংয়ে উচ্ছেদ অভিযানে ‘অসম্পূর্ণতা : অবৈধ ছাউনি বহাল-অপসারণ করতে আবেদন গাড়ি ঠেলে পার হতে হয় কাদার সমুদ্র : আমিরখানী-ঘাগড়াকোনা সড়কে জনদুর্ভোগ তুঙ্গে নন্দনপুর বাজারে শিশু-কিশোর ও নারী উন্নয়নে সচেতনতামূলক সংগীতানুষ্ঠান হবিগঞ্জে ৮ লাখ ৬১ হাজার টাকা ও ৩১টি মোবাইল উদ্ধার : প্রকৃত মালিকদের হাতে তুলে দিল পুলিশ ১৮ মাস পর সরকারি জমিতে ফের বহুতল ভবন নির্মাণ : নেপথ্যে তহশীলদার আবুল কালাম ! হবিগঞ্জে বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিশু-কিশোরদের নিয়ে সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতা বানিয়াচংয়ে পূবালী ব্যাংক গুনিনগঞ্জ শাখার ক্যাশলেস ক্যাম্পেইনের উদ্বোধন শিক্ষক সংকট দূর করে শিক্ষার মানোন্নয়নের আশ্বাস দিলেন এমপি ডা.জীবন হবিগঞ্জের উন্নয়ন প্রকল্প গ্রহণে পরামর্শ সভা অনুষ্ঠিত চুনারুঘাটে ৪ দফা দাবিতে চা শ্রমিকদের মানববন্ধন ও কর্মবিরতি

গাড়ি ঠেলে পার হতে হয় কাদার সমুদ্র : আমিরখানী-ঘাগড়াকোনা সড়কে জনদুর্ভোগ তুঙ্গে

বিশেষ প্রতিনিধি / ৫৩ Time View
Update : মঙ্গলবার, ২৫ আগস্ট, ২০২৬

হবিগঞ্জের বানিয়াচং উপজেলা সদরের ২নং উত্তর-পশ্চিম ইউনিয়নের আমিরখানী থেকে ঘাগড়াকোনা পর্যন্ত সড়কটির অবস্থা বর্তমানে অত্যন্ত নাজুক ও ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়েছে। দীর্ঘদিন সংস্কার না হওয়ায় গুরুত্বপূর্ণ এই সড়কটি এখন চলাচলের সম্পূর্ণ অনুপযোগী। সামান্য বৃষ্টিতেই  মাটি উঠে গিয়ে সৃষ্টি হয়েছে বিশালাকার খানাখন্দ আর হাঁটু সমান কাদা, যা স্থানীয়দের জন্য চরম ভোগান্তির কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, পুরো রাস্তাজুড়ে কাদামাটির সয়লাব। ছোট-বড় গর্তে থৈ থৈ করছে নোংরা পানি। যানবাহন চলাচল তো দূরের কথা, হেঁটে চলাই দুষ্কর হয়ে পড়েছে। কোনো কোনো জায়গায় ব্যাটারিচালিত টমটম বা ইজিবাইক চাকার গভীর গর্তে আটকে যাচ্ছে। তখন চালক ও যাত্রীদের নেমে গাড়ি ঠেলে তুলতে হয়। প্রতিদিন ঘটছে ছোট-বড় দুর্ঘটনা। বৃদ্ধ, শিশু এবং রোগীদের জন্য এই রাস্তাটি যেন এক আতঙ্কের নাম।

সড়কের এ বেহাল দশায় তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন ভুক্তভোগী এলাকাবাসী। স্থানীয় বাসিন্দা আমান উল্লাহ জানান, “রাস্তাটার অবস্থা দীর্ঘদিন ধরে এমন। সামান্য বৃষ্টি হলেই হাঁটু পর্যন্ত কাদা হয়ে যায়। প্রতিদিন শত শত মানুষ এই পথ দিয়ে যাতায়াত করে। স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থী আর গর্ভবতী রোগীদের নিয়ে চরম বিপদে পড়তে হয়।”

টমটম চালক মো.আল-আমিন বলেন, “গাড়ি চালানো প্রায় অসম্ভব হয়ে পড়েছে। কাদার মধ্যে চাকা আটকে গাড়ি উল্টে যাওয়ার মতো পরিস্থিতি হয়। গাড়ির যন্ত্রাংশ প্রতিনিয়ত নষ্ট হচ্ছে, অথচ পেটের দায়ে বাধ্য হয়ে ঝুঁকি নিতে হচ্ছে।” গৃহিণী সালমা বেগম জানান, “জরুরি প্রয়োজনে বাজারে বা হাসপাতালে যাওয়ার কোনো উপায় নেই। হেঁটে যেতে গেলেও পিছলে পড়ে যাওয়ার ভয় থাকে। আমরা দ্রত এই দুর্ভোগ থেকে মুক্তি চাই।”

আমিরখানী ও ঘাগড়াকোনা এলাকাবাসীর দাবি, দীর্ঘদিন ধরে অবহেলিত এই সড়কটি অবিলম্বে পুনর্নির্মাণ বা টেকসই সংস্কার করা না হলে যেকোনো সময় বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটতে পারে। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সুদৃষ্টি এবং দ্রুত বাস্তবমুখী পদক্ষেপই পারে এই হাজারো মানুষের নিত্যদিনের ভোগান্তির অবসান ঘটাতে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category

ফেসবুকে আমরা