• মঙ্গলবার, ০২ জুন ২০২৬, ০৩:০৬ পূর্বাহ্ন
Headline
হবিগঞ্জে বিশ্ব দুগ্ধ দিবস উপলক্ষে বর্ণাঢ্য র‍্যালি ও আলোচনা সভা অবৈধ অনুপ্রবেশের ১ বছর পর ভারতীয় নাগরিককে নিজ দেশে ফেরত না ফেরার দেশে চলে গেলেন আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য সাবেক মন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ বানিয়াচংয়ে তীব্র তাপদাহে চাঙ্গা কোমলপানীয়র বাজার জমজমাট সেমিফাইনালের লড়াই : মাঠে নামছে এলারিয়ান ফুটবল চ্যাম্পিয়নশিপের সেরা ৮ দল বিশ্বকাপকে ঘিরে জমে উঠেছে পতাকার বাজার : ব্যস্ত বিক্রেতারা বিদ্যুত সংকটের বিকল্প সলিউশন : গরম ও লোডশেডিংয়ে চাহিদা বেড়েছে চার্জার ফ্যান ও লাইটের ঐতিহাসিক সাগর দীঘিতে ঈদের দ্বিতীয় দিনেও উৎসবের আমেজ : গড়ে উঠেছে অস্থায়ী মুখরোচক খাবারের দোকান আজমিরীগঞ্জের জলসুখা ব্রিজে দর্শনার্থীদের উপচেপড়া ভিড় : ছবি আর ভিডিওতে মুখর নতুন এই ব্রিজ প্রথম দিনেই ডাবল ধামাকা : দ্বিতীয় ম্যাচে মুখোমুখি হচ্ছে ‘ম্যাগনিফিসেন্ট ১২’ ও ‘মাইন্ড কিকার্স ১৩’

বানিয়াচংয়ে তীব্র তাপদাহে চাঙ্গা কোমলপানীয়র বাজার

নূর উদ্দিন আহমেদ / ৬৪ Time View
Update : সোমবার, ১ জুন, ২০২৬

জ্যৈষ্ঠের শুরুতেই তীব্র গরমে যখন জনজীবন ওষ্ঠাগত, তখন এক চুমুক প্রশান্তি খুঁজতে সাধারণ মানুষের প্রথম পছন্দ হয়ে দাঁড়িয়েছে ঠাণ্ডা কোমলপানীয়। বানিয়াচং সদরসহ আশেপাশের এলাকাগুলোতে এখন যেন এক উৎসবমুখর ব্যস্ততা—তবে সেটি কোনো উৎসবের নয়, বরং তৃষ্ণা মেটানোর।

সকাল গড়িয়ে দুপুর হতেই সূর্য যেন আগুন ছড়াচ্ছে। তাপমাত্রা ছাড়িয়েছে ৩৬ ডিগ্রি সেলসিয়াসের ঘর। বাতাসের আর্দ্রতায় ঘামছে মানুষ। আর এই তীব্র গরমে শরীরের ক্লান্তি দূর করতে ছোট-বড় সবার ভিড় বাড়ছে রাস্তার ধারের টং দোকান থেকে শুরু করে বড় বড় মুদি দোকানগুলোতে। সবার লক্ষ্য একটাই—বরফ শীতল কোনো কোমলপানীয় বা এনার্জি ড্রিংক।

বাজার ঘুরে দেখা গেছে, গত এক সপ্তাহ ধরে কোমলপানীয়র চাহিদা পূর্বের তুলনায় তিন থেকে চার গুণ বেড়েছে। বিশেষ করে লেমন ফ্লেভারের পানীয়, কোলা এবং বিভিন্ন ব্র্যান্ডের ড্রিংকিং ওয়াটারের সংকট দেখা দিচ্ছে অনেক দোকানে। ফ্রিজে রাখা পানীয় মুহূর্তেই শেষ হয়ে যাওয়ায় অনেক ক্ষেত্রে ক্রেতাদের হালকা ঠাণ্ডা পানীয় দিয়েই সন্তুষ্ট থাকতে হচ্ছে।

দোকানদারদের সাথে কথা বলে জানা যায়, সকাল ১০টার পর থেকেই কাস্টমারের ভিড় শুরু হয় যা চলে রাত অব্দি। বড়বাজার  বিসমিল্লাহ স্টোরের মালিক আব্দুুর রহমান বলেন-  “আগে যেখানে দিনে দুই কেস মাল বিক্রি হতো, এখন সেখানে ৫-৬ কেস বিক্রি করেও কুলানো যাচ্ছে না। ফ্রিজে রাখার পর ঠাণ্ডা হওয়ার সময়ও পাচ্ছে না, তার আগেই বিক্রি হয়ে যাচ্ছে। কোম্পানিগুলো থেকে মাল দিতেও কিছুটা দেরি করছে চাহিদার তুলনায়।”

বানিয়াচং নতুনবাজারের সাকিব স্টোরের সত্ত্বাধিকারী মিজাজ আলী বলেন “গরম বাড়লে আমাদের ব্যবসার সিজন শুরু হয়। তবে এবারের তাপমাত্রার কারণে গত বছরের তুলনায় চাহিদা অনেক বেশি। বিশেষ করে লেমন ফ্লেভারের পানীয়গুলোর দিকে মানুষের ঝোঁক বেশি দেখা যাচ্ছে।”  আরেক বিক্রেতা রাজন মিয়া জানান, স্কুল-কলেজ বন্ধ থাকায় বিকেলে ছেলেরা বেশি বের হয়। তারা ঠান্ডা পানীয় খেতে পছন্দ করে। অনেকেই একসাথে কয়েকটি করে কিনে নিচ্ছে।”

স্থানীয় এক কলেজ শিক্ষার্থী রাকিব বলেন, “এই গরমে বাইরে বের হলেই শরীর ক্লান্ত হয়ে যায়। তাই ঠান্ডা কোমলপানীয় খেলেই একটু স্বস্তি লাগে।” আরেক তরুণ নাঈম জানান, “বন্ধুদের সঙ্গে আড্ডা দিতে আসলে প্রায়ই কোমলপানীয় খাওয়া হয়। গরমে এটা না হলে যেন চলেই না।” বিশ্ববিদ্যালয় পড়ুয়া ছাত্র তানিম আহমেদ বলেন, “গরমে পানি তো খাই-ই, কিন্তু মাঝে মাঝে জুস বা সফট ড্রিংকস খেলে একটু ফ্রেশ লাগে।”

অটোরিক্সা চালক  মামুন  মিয়া ক্লান্ত শরীরে রাস্তার পাশে দাঁড়িয়ে পানীয় পান করছিলেন তিনি বলেন, “এই রোদে অটোরিক্সা চালানো অসম্ভব হয়ে পড়ছে। কলিজা শুকিয়ে আসে। ৫-১০ মিনিট পর পর পানি বা এই ঠাণ্ডা ড্রিংকস না খাইলে টিকে থাকা মুশকিল।”


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category

ফেসবুকে আমরা