• রবিবার, ৩১ মে ২০২৬, ১০:০০ অপরাহ্ন
Headline
জমজমাট সেমিফাইনালের লড়াই : মাঠে নামছে এলারিয়ান ফুটবল চ্যাম্পিয়নশিপের সেরা ৮ দল বিশ্বকাপকে ঘিরে জমে উঠেছে পতাকার বাজার : ব্যস্ত বিক্রেতারা বিদ্যুত সংকটের বিকল্প সলিউশন : গরম ও লোডশেডিংয়ে চাহিদা বেড়েছে চার্জার ফ্যান ও লাইটের ঐতিহাসিক সাগর দীঘিতে ঈদের দ্বিতীয় দিনেও উৎসবের আমেজ : গড়ে উঠেছে অস্থায়ী মুখরোচক খাবারের দোকান আজমিরীগঞ্জের জলসুখা ব্রিজে দর্শনার্থীদের উপচেপড়া ভিড় : ছবি আর ভিডিওতে মুখর নতুন এই ব্রিজ প্রথম দিনেই ডাবল ধামাকা : দ্বিতীয় ম্যাচে মুখোমুখি হচ্ছে ‘ম্যাগনিফিসেন্ট ১২’ ও ‘মাইন্ড কিকার্স ১৩’ আজ মুখোমুখি হচ্ছে ‘উইজার্ডস ২২’ ও ‘স্পাইডার ২৩ : এলারিয়ান ফুটবল চ্যাম্পিয়নশিপ ২০২৬ সিজন-৩ ১৮টি দল ও একঝাঁক স্পন্সর নিয়ে প্রস্তুত বানিয়াচংয়ের এল. আর. সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় মাঠ আজ মাঠে গড়াচ্ছে এলারিয়ান ফুটবল চ্যাম্পিয়নশিপের তৃতীয় আসর এলারিয়ান ফুটবল চ্যাম্পিয়নশিপ ২০২৬ : (সিজন-৩) এর ট্রফি উন্মোচন

বিদ্যুত সংকটের বিকল্প সলিউশন : গরম ও লোডশেডিংয়ে চাহিদা বেড়েছে চার্জার ফ্যান ও লাইটের

Reporter Name / ৬৪ Time View
Update : রবিবার, ৩১ মে, ২০২৬

ভ্যাপসা গরমে যখন সাধারণ মানুষের নাভিশ্বাস উঠছে, তখন স্বস্তি খুঁজতে সবাই ছুটছেন ইলেকট্রনিক্সের দোকানগুলোতে। আর এই সুযোগে বাজারে চার্জার ফ্যানের পাশাপাশি চার্জার লাইটের চাহিদাও বেড়েছে কয়েক গুণ। এই দুই পন্যের বিক্রির ধুম দেখে এখন দারুন ব্যবসা করছেন বানিয়াচংয়ের ব্যবসায়ীরা। দোকানের সামনে সাজিয়ে রাখা বিভিন্ন ব্র্যান্ড ও সাইজের চার্জার পণ্যগুলো নিমিষেই বিক্রি হয়ে যাচ্ছে।

সরেজমিনে বানিয়াচং উপজেলা সদরের বিভিন্ন বাজারের ইলেক্ট্রনিক্স দোকান ঘুরে দেখা গেছে, প্রতিটি দোকানেই ক্রেতাদের উপচে পড়া ভিড়। বিশেষ করে চার্জার ফ্যান ও রিচার্জেবল লাইটের চাহিদা সবচেয়ে বেশি। ক্রেতারা বলছেন, বিদ্যুতের যে অবস্থা তাতে চার্জার ফ্যান ছাড়া ঘরে থাকা যেমন অসম্ভব, তেমনি রাতে দীর্ঘ সময় লোডশেডিংয়ের কারণে চার্জার লাইট ছাড়া চলাফেরা ও পড়াশোনা করা দায় হয়ে পড়েছে।

লোডশেডিংয়ের কারণে অন্ধকার থেকে মুক্তি পেতে চার্জার লাইটের বাজারেও এখন রমরমা অবস্থা। বিশেষ করে স্কুল-কলেজ পড়ুয়া শিক্ষার্থীদের পড়ার টেবিলের জন্য স্টাডি ল্যাম্প এবং গৃহিণীদের রান্নার কাজের জন্য এলইডি চার্জার লাইটের চাহিদা তুঙ্গে।

বিক্রেতারা জানিয়েছেন, আগে যেখানে দিনে দু-একটি চার্জার লাইট বিক্রি হতো, এখন সেখানে প্রতিদিন ২০ থেকে ৩০টি লাইট অনায়াসেই বিক্রি হচ্ছে। পকেট সাইজ ছোট লাইট থেকে শুরু করে বড় স্ট্যান্ড লাইট সবই এখন দ্রুুত স্টক আউট হয়ে যাচ্ছে। দীর্ঘদিন ব্যবসায় মন্দা থাকলেও এই গরমে চার্জার পন্য বিক্রি করে লোকসান কাটিয়ে ওঠার স্বপ্ন দেখছেন ব্যবসায়ীরা।

ইলেকট্রনিক্স ব্যবসায়ী খেলু মিয়া বলেন, “সারা বছর চার্জার ফ্যান বা লাইট খুব একটা চলে না। কিন্তু গত কয়েক সপ্তাহে আমরা যা বিক্রি করেছি, তা গত এক বছরেও হয়নি। প্রতিদিন স্টকে নতুন মাল আনতে হচ্ছে। অনেক ব্যবসায়ী বলছেন, চাহিদার তুলনায় সরবরাহ কম থাকায় তারা হিমশিম খাচ্ছেন।”

 

এদিকে চাহিদা বাড়ার সুযোগে কিছু কিছু ক্ষেত্রে দাম বাড়ানোর অভিযোগ ও তুলেছেন ক্রেতারা। আগে যে ফ্যান ৩ হাজার টাকায় পাওয়া যেত, এখন তা ৩ হাজার ৫০০ থেকে ৪ হাজার টাকায় বিক্রি হচ্ছে। একইভাবে চার্জার লাইটের দামও মান ভেদে ১০০ থেকে ৩০০ টাকা পর্যন্ত বৃদ্ধি পেয়েছে।

 

বাজারে আসা এক ক্রেতা সেলিম আহমেদ বলেন, “বাচ্চারা গরমে ঘুমাতে পারছে না এবং অন্ধকারে পড়তে পারছে না, তাই বাধ্য হয়ে বেশি দামেই চার্জার ফ্যান ও লাইট কিনলাম।” ব্যবসায়ীদের দাবি, পাইকারি বাজারে দাম বাড়ায় খুচরা পর্যায়েও এর প্রভাব পড়েছে।

বাজারে ১২ ইঞ্চি ও ১৬ ইঞ্চির স্ট্যান্ড চার্জার ফ্যানের পাশাপাশি এখন রিমোট কন্ট্রোল ও সোলার চার্জিং সুবিধার লাইটের চাহিদা বাড়ছে। ব্র্যান্ডেড পণ্যের পাশাপাশি চায়না নন-ব্র্যান্ডের সাশ্রয়ী দামের লাইটগুলোও নিম্ন আয়ের মানুষের প্র্রধান পছন্দ। ক্রেতারা মূলত ব্যাটারি ব্যাকআপ কতক্ষণ থাকে, সেটি যাচাই করেই পণ্য কিনছেন।

সাধারণ ক্রেতাদের দাবি, অসাধু ব্যবসায়ীরা যেন কৃত্রিম সংকট তৈরি করে চার্জার পণ্যগুলোর দাম আরও না বাড়াতে পারে, সেজন্য প্রশাসনের নিয়মিত বাজার তদারকি প্রয়োজন। বিশেষ করে এই আপৎকালীন সময়ে প্রয়োজনীয় ইলেকট্রনিক্স পণ্যের দাম নিয়ন্ত্রণে রাখা জরুরী।

তীব্র গরম আর লোডশেডিং সাধারণ মানুষের জন্য ভোগান্তি বয়ে আনলেও ইলেকট্রনিক্স ব্যবসায়ীদের জন্য তা আশীর্বাদ হয়ে দাঁড়িয়েছে। চড়া দাম সত্ত্বেও পরিবারের স্বস্তির কথা ভেবে মানুষ এখন চার্জার ফ্যান ও লাইট কিনছেন। বাজারের এই রমরমা অবস্থা আরও কিছুদিন স্থায়ী হবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ীরা।

 

 


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category

ফেসবুকে আমরা