হবিগঞ্জের বানিয়াচং উপজেলার বিভিন্ন স্থানীয় বাজারে সরকারিভাবে নিষিদ্ধ ও মানবদেহের জন্য মারাত্মক ক্ষতিকর ‘পিরানহা’ মাছ সামুদ্রিক ‘রূপচাঁদা’ হিসেবে দেদারসে বিক্রি করার অভিযোগ উঠেছে। একশ্রেণীর অসাধু মৎস্য ব্যবসায়ী সাধারণ ক্রেতাদের সরলতার সুযোগ নিয়ে এই প্রতারণা চালিয়ে যাচ্ছে।
সরেজমিনে বানিয়াচংয়ের বড়বাজারের মাছ বাজার পরিদর্শনে দেখা যায়, কিছু বিক্রেতা ঢালায় অন্যান্য মাছের সাথে পিরানহা সাজিয়ে রেখেছেন। রূপচাঁদা মাছের সাথে কিছুটা শারীরিক সাদৃশ্য থাকায় সাধারণ ক্রেতারা সহজেই বিভ্রান্ত হচ্ছেন। বিক্রেতারা এটিকে ‘নদীর রূপচাঁদা’ বা ‘স্বল্পমূল্যের রূপচাঁদা’ বলে ক্রেতাদের কাছে গছিয়ে দিচ্ছেন। অথচ বাংলাদেশ সরকার ২০০৮ সাল থেকে পিরানহা মাছের চাষ, উৎপাদন, বংশবৃদ্ধি, বাজারজাতকরণ এবং বিক্রি সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ ঘোষণা করেছে।
বাজারে আসা কয়েকজন সাধারণ ক্রেতা জানান, তারা অনেকেই সামুদ্রিক মাছ মনে করে কম দামে এই মাছ কিনে প্রতারিত হচ্ছেন। বিক্রেতারা কৌশলে এর আসল নাম গোপন রাখছে। স্থানীয় সচেতন মহল অবিলম্বে বানিয়াচংয়ের বিভিন্ন হাট-বাজারে মৎস্য অধিদপ্তর এবং ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের নিয়মিত অভিযান ও ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনার দাবি জানিয়েছেন। তারা মনে করেন, বাজারে কঠোর নজরদারি না থাকলে এই নিষিদ্ধ মাছের বিস্তার ঠেকানো সম্ভব নয়।