• বুধবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৬, ০৮:৪৪ পূর্বাহ্ন
Headline
শান্তিপূর্ণ সমাজ গঠনে সম্প্রীতির ওপর গুরুত্ব দিলেন জেলা প্রশাসক হবিগঞ্জে অনলাইন জুয়া প্রতিরোধে প্রশাসন-পুলিশের সচেতনতামূলক কর্মশালা লাখাইয়ের বামৈ বড় বাজারে সিসিটিভি ক্যামেরা উদ্বোধন করলেন ওসি শরীফ আহমেদ মাদক-জুয়া ও চুরি প্রতিরোধে লাখাইয়ে পুলিশের উঠান বৈঠক হবিগঞ্জে সনাতন বিদ্যার্থী সংসদের উদ্যোগে শারদ বস্ত্র বিতরণ বানিয়াচংয়ে সম্প্রীতি ও সৌহার্দ্যের বার্তা দিলেন এমপি সাখাওয়াত হাসান শিক্ষকরা দলীয়করণে জড়িয়ে পড়লে পেশাগত দক্ষতার উন্নয়ন ব্যাহত হবে : মতবিনিময় সভায় ডা.জীবন এমপি ২৪ বছরের বন্দিজীবনের অবসান : নতুন জীবনের পথে কয়েস আহমেদ হবিগঞ্জে শিশু একাডেমির সুবর্ণজয়ন্তী ও শিশু অধিকার দিবসের উদ্বোধন ফুটবল খেলা দেখতে গিয়ে বাড়ি ফেরেনি মাদ্রাসাছাত্র জিহাদ !

জেলাজুড়ে কৃত্রিম সংকট তৈরি করে এলপিজির দামে নৈরাজ্য

বিশেষ প্রতিনিধি / ১৮২ Time View
Update : শুক্রবার, ২ অক্টোবর, ২০২৬

জেলাসহ উপজেলার সব হাটবাজাগুলোতে এলপিজি (তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাস) সিলিন্ডারের বাজারে অস্থিরতা দেখা দিয়েছে। কৃত্রিম সংকট তৈরি করে একটি চক্র ইচ্ছেমতো দাম বাড়িয়ে দিচ্ছে বলে অভিযোগ করেছেন ভোক্তারা। ১২ কেজির এলপিজি সিলিন্ডার সরকার নির্ধারিত দামের চেয়ে ৪ থেকে ৫শ টাকা পর্যন্ত বেশি দামে বিক্রি করা হচ্ছে বলে অভিযোগ রয়েছে।

গত ২ সেপ্টেম্বর বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি) চলতি মাসের জন্য ১২ কেজির এলপিজি সিলিন্ডারের দাম ১৩ টাকা কমিয়ে ১ হাজার ৫৮৫ টাকা নির্ধারণ করে দিয়েছিল। অথচ বাজারে ভোক্তাদের গুণতে হচ্ছে ২ হাজার টাকা। কখনও তা ২ হাজার ১০০ টাকা পর্যন্ত উঠছে।

ভোক্তাদের অভিযোগ, বাজারে চাহিদা অনুযায়ী এলপিজি সিলিন্ডার পাওয়া যাচ্ছে না। কোনো কোনো দোকানে সিলিন্ডার থাকলেও নির্ধারিত দামে বিক্রি করা হচ্ছে না। আবার কোথাও বাড়তি দাম দিতে রাজি হলেও সিলিন্ডার পাওয়া যাচ্ছে না বলে দাবি করেছেন ক্রেতারা। স্থানীয় ভোক্তাদের অভিযোগ, কয়েকজন ব্যবসায়ী ও সরবরাহকারীর মধ্যে সমন্বয়ের মাধ্যমে বাজারে কৃত্রিম সংকট তৈরি করা হচ্ছে। এতে একদিকে সাধারণ মানুষকে অতিরিক্ত অর্থ গুনতে হচ্ছে, অন্যদিকে রান্নার মতো নিত্যপ্রয়োজনীয় কাজে ব্যবহৃত এলপিজি নিয়ে ভোগান্তিতে পড়তে হচ্ছে নিম্ন ও মধ্যবিত্ত পরিবারের মানুষকে।

একাধিক ভোক্তা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, সরকার নির্ধারিত মূল্যের চেয়ে কয়েকশ টাকা বেশি দিয়েও অনেক সময় সিলিন্ডার পাওয়া যাচ্ছে না। বাধ্য হয়ে এক দোকান থেকে আরেক দোকানে ঘুরতে হচ্ছে। তাদের দাবি, বাজারে সরবরাহ স্বাভাবিক করার পাশাপাশি অতিরিক্ত দামে এলপিজি বিক্রির বিরুদ্ধে কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হোক।

ভোক্তাদের ভাষ্য, এলপিজির মতো নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের বাজারে এ ধরনের অনিয়ম চলতে থাকলে সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ আরও বাড়বে। তারা সংশ্লিষ্ট প্রশাসন ও ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ কর্তৃপক্ষের দ্রুত হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

এদিকে স্থানীয়দের দাবি, বাজারে এলপিজির প্রকৃত সরবরাহ পরিস্থিতি, মজুত ও বিক্রয়মূল্য যাচাই করে দেখা প্রয়োজন। কোনো ব্যবসায়ী কৃত্রিম সংকট তৈরি করে অতিরিক্ত দামে সিলিন্ডার বিক্রি করলে তার বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন তারা। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নিয়মিত বাজার তদারকি এবং নির্ধারিত মূল্যে এলপিজি বিক্রি নিশ্চিত করা গেলে ভোক্তাদের এই ভোগান্তি অনেকটাই কমবে বলে মনে করছেন স্থানীয়রা।

 


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category

ফেসবুকে আমরা