• রবিবার, ২১ জুন ২০২৬, ০১:৩৮ পূর্বাহ্ন
Headline
বানিয়াচংয়ে রূপচাঁদা নামে নিষিদ্ধ পিরানহা বিক্রি : স্বাস্থ্য ঝুঁকিতে ক্রেতারা বানিয়াচং মডেল প্রেসক্লাবের কমিটি পুনর্গঠন : সভাপতি আরজু সেক্রেটারি আব্দাল নির্বাচিত বানিয়াচংয়ে রাজনৈতিক নেতাদের রেষারেষিতে থমকে আছে উন্নয়ন : বেহাল সড়কে চরম দুর্ভোগ হবিগঞ্জ-বানিয়াচং সড়কের আতুকুড়া বাজার সংলগ্ন মনোরম বিশ্রামস্থল : ভ্রমণপিপাসুদের নতুন আকর্ষণ পল্লী সঙ্গীতানুষ্ঠানের মাধ্যমে জেলা তথ্য অফিসের জনসচেতনতা বৃদ্ধি কার্যক্রম অনুষ্ঠিত চুনারুঘাটে প্রাকৃতিক গ্যাসের সন্ধান  : সম্ভাব্যতা যাচাই চলছে কার্যক্রম হবিগঞ্জ পৌর পুকুরপাড়ে জমছে স্বাস্থ্য সচেতনদের ভিড় : বিকেল হলেই প্রানবন্ত হয়ে উঠে নানা বয়সী মানুষদের মাধবপুরে সড়ক দুর্ঘটনায় মোটরসাইকেল আরোহী নিহত জলাবদ্ধতায় বিকেজিসি স্কুল : ফটকের বাইরে কাদা-পানির ভোগান্তিতে শিক্ষার্থীরা হবিগঞ্জ পানি উন্নয়ন বোর্ড কার্যালয়ে জলাবদ্ধতা : বৃষ্টি থামার ২৪ ঘণ্টা পরও পানি নিষ্কাশন নেই

বানিয়াচংয়ে রূপচাঁদা নামে নিষিদ্ধ পিরানহা বিক্রি : স্বাস্থ্য ঝুঁকিতে ক্রেতারা

বানিয়াচং প্রতিনিধি / ৫০ Time View
Update : শনিবার, ২০ জুন, ২০২৬

হবিগঞ্জের বানিয়াচং উপজেলার বিভিন্ন স্থানীয় বাজারে সরকারিভাবে নিষিদ্ধ ও মানবদেহের জন্য মারাত্মক ক্ষতিকর ‘পিরানহা’ মাছ সামুদ্রিক ‘রূপচাঁদা’ হিসেবে দেদারসে বিক্রি করার অভিযোগ উঠেছে। একশ্রেণীর অসাধু মৎস্য ব্যবসায়ী সাধারণ ক্রেতাদের সরলতার সুযোগ নিয়ে এই প্রতারণা চালিয়ে যাচ্ছে।

সরেজমিনে বানিয়াচংয়ের বড়বাজারের মাছ বাজার পরিদর্শনে দেখা যায়, কিছু বিক্রেতা ঢালায় অন্যান্য মাছের সাথে পিরানহা সাজিয়ে রেখেছেন। রূপচাঁদা মাছের সাথে কিছুটা শারীরিক সাদৃশ্য থাকায় সাধারণ ক্রেতারা সহজেই বিভ্রান্ত হচ্ছেন। বিক্রেতারা এটিকে ‘নদীর রূপচাঁদা’ বা ‘স্বল্পমূল্যের রূপচাঁদা’ বলে ক্রেতাদের কাছে গছিয়ে দিচ্ছেন। অথচ বাংলাদেশ সরকার ২০০৮ সাল থেকে পিরানহা মাছের চাষ, উৎপাদন, বংশবৃদ্ধি, বাজারজাতকরণ এবং বিক্রি সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ ঘোষণা করেছে।

বাজারে আসা কয়েকজন সাধারণ ক্রেতা জানান, তারা অনেকেই সামুদ্রিক মাছ মনে করে কম দামে এই মাছ কিনে প্রতারিত হচ্ছেন। বিক্রেতারা কৌশলে এর আসল নাম গোপন রাখছে। স্থানীয় সচেতন মহল অবিলম্বে বানিয়াচংয়ের বিভিন্ন হাট-বাজারে মৎস্য অধিদপ্তর এবং ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের নিয়মিত অভিযান ও ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনার দাবি জানিয়েছেন। তারা মনে করেন, বাজারে কঠোর নজরদারি না থাকলে এই নিষিদ্ধ মাছের বিস্তার ঠেকানো সম্ভব নয়।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category

ফেসবুকে আমরা