• রবিবার, ০৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২:৩৭ অপরাহ্ন
Headline
বানিয়াচংয়ে ঝুঁকিপূর্ণ ১১ প্রাথমিক বিদ্যালয়ে নতুন ভবন নির্মাণ : ডিও দিলেন এমপি ডা. সাখাওয়াত হাসান উৎসবের আমেজে বানিয়াচংয়ে জন্মাষ্টমী : বর্ণাঢ্য মঙ্গল শোভাযাত্রাতে সম্প্রীতির বার্তা বানিয়াচংয়ে প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর শিক্ষায় নতুন সম্ভাবনা ‘হাজী মোহাম্মদ ফুল মিয়া মেমোরিয়াল স্কুল’ বানিয়াচংয়ে সরকারের নির্বাচনি ইশতেহার নিয়ে জেলা তথ্য অফিসের উঠান বৈঠক হবিগঞ্জে জেলা প্রশাসকের গণশুনানি : সেবাপ্রার্থীদের অভিযোগ শুনে তাৎক্ষণিক সিদ্ধান্ত জলজ ফুলের রাজ্যে মুগ্ধতা ছড়াচ্ছে বানিয়াচং ভবানীপুরের পদ্মবিল জেলার হাটবাজারগুলোতে পোলাও চালে আগুন-নিত্যপণ্যের দামে নাভিশ্বাস বীর মুক্তিযোদ্ধা গোলাম মোস্তফা রফিক ও সুব্রত চক্রবর্তীর স্মরণে সুরবিতানের শোক সভা সিলেট উশু চ্যাম্পিয়নশিপ-২০২৬ এ বানিয়াচং উশু একাডেমি চ্যাম্পিয়ন বানিয়াচংয়ে ধানের চারার জমজমাট হাট : দূর-দূরান্তের কৃষকের মিলনমেলা

বানিয়াচংয়ে প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর শিক্ষায় নতুন সম্ভাবনা ‘হাজী মোহাম্মদ ফুল মিয়া মেমোরিয়াল স্কুল’

বিশেষ প্রতিনিধি / ১৬১ Time View
Update : শুক্রবার, ৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

হবিগঞ্জের বানিয়াচং উপজেলার ২নং উত্তর-পশ্চিম ইউনিয়নের শেখের মহল্লার কৃতি সন্তান ব্যারিস্টার মুশতাক আহমেদ। উচ্চশিক্ষিত ও মেধাবী এই মানুষটি দীর্ঘদিন ধরেই প্রচারবিমুখ থেকে শিক্ষার মানোন্নয়ন ও শিক্ষার প্রসারে নীরবে কাজ করে যাচ্ছেন। এরই ধারাবাহিকতায় ২০২৫ সালে তিনি তার প্রয়াত পিতা হাজী মোহাম্মদ ফুল মিয়ার স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে ‘হাজী মোহাম্মদ ফুল মিয়া মেমোরিয়াল স্কুল’ প্রতিষ্ঠা করেন।

প্রতিষ্ঠার পর থেকেই বিদ্যালয়টি স্থানীয় শিক্ষার্থীদের জন্য মানসম্মত ও আধুনিক শিক্ষার একটি সম্ভাবনাময় প্রতিষ্ঠান হিসেবে গড়ে উঠছে। বিদ্যালয়টির শিক্ষার মাধ্যম ইংলিশ ভার্সন, যা শিক্ষার্থীদের আধুনিক ও আন্তর্জাতিক মানের শিক্ষার সঙ্গে পরিচিত হওয়ার সুযোগ করে দিচ্ছে।

বিদ্যালয়টির সার্বিক তত্ত্বাবধানে রয়েছেন ব্যারিস্টার মুশতাক আহমেদের সহধর্মিনী। তিনি নিয়মিত ও সার্বক্ষণিকভাবে বিদ্যালয়ের কার্যক্রম মনিটরিং করছেন। শিক্ষার পরিবেশ, শৃঙ্খলা, পাঠদানসহ বিদ্যালয়ের সার্বিক কার্যক্রমের প্রতি রয়েছে তার বিশেষ নজর।

বিদ্যালয়টির অন্যতম আকর্ষণ হলো এর সুন্দর ও সমৃদ্ধ লাইব্রেরি। শিক্ষার্থীদের পাঠ্যবইয়ের পাশাপাশি জ্ঞানচর্চা ও বই পড়ার অভ্যাস গড়ে তুলতে লাইব্রেরিটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। এছাড়া বিদ্যালয়ের প্রাকৃতিক পরিবেশও অত্যন্ত মনোমুগ্ধকর। সবুজ-শ্যামল পরিবেশে শিক্ষার্থীদের জন্য একটি আনন্দদায়ক ও শান্তিপূর্ণ শিক্ষার আবহ তৈরি হয়েছে।

স্থানীয়দের মতে, পিছিয়ে পড়া এই জনগোষ্ঠীর শিক্ষার উন্নয়নে এমন একটি আধুনিক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান অত্যন্ত সময়োপযোগী উদ্যোগ। শুধু পাঠ্যক্রমের মধ্যে সীমাবদ্ধ না থেকে শিক্ষার্থীদের জ্ঞান, নৈতিকতা, সৃজনশীলতা ও আধুনিক বিশ্বের সঙ্গে তাল মিলিয়ে চলার উপযোগী করে গড়ে তুলতে বিদ্যালয়টি ভবিষ্যতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।

শিক্ষা সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, সমাজের বিত্তবান ও উচ্চশিক্ষিত ব্যক্তিরা যদি ব্যারিস্টার মুশতাক আহমেদের মতো নিজ নিজ এলাকার শিক্ষার উন্নয়নে এগিয়ে আসেন, তাহলে প্রত্যন্ত ও পশ্চাৎপদ জনগোষ্ঠীর মধ্যেও শিক্ষার আলো আরও বিস্তৃত হবে।

এলাকাবাসীর প্রত্যাশা, ‘হাজী মোহাম্মদ ফুল মিয়া মেমোরিয়াল স্কুল’ ভবিষ্যতে শুধু একটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান নয়, বরং বানিয়াচংয়ের পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠীর সামগ্রিক উন্নয়ন ও আলোকিত প্রজন্ম গঠনের অন্যতম কেন্দ্র হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category

ফেসবুকে আমরা