হবিগঞ্জ-২ (বানিয়াচং-আজমিরীগঞ্জ) এলাকার ১১টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে অনতিবিলম্বে নতুন ভবন নির্মাণের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ে আধাসরকারি পত্র (ডিও লেটার) পাঠিয়েছেন সংসদ সদস্য আবু মনসুর সাখাওয়াত হাসান।
মন্ত্রণালয়ে প্রেরিত পত্রে উল্লেখ করা হয়, বানিয়াচং উপজেলার এই ১১টি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ভবন দীর্ঘদিন ধরে চরম জরাজীর্ণ ও বিপজ্জনক অবস্থায় রয়েছে। ভবনগুলোর দেওয়ালে বড় ধরনের ফাটল ধরাসহ ছাদের প্লাস্টার খসে পড়ায় এবং কাঠামোগত সুরক্ষার অভাবে এগুলো সম্পূর্ণ ব্যবহারের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। এতে করে কোমলমতি শিক্ষার্থী ও শিক্ষকদের চরম ঝুঁকি নিয়ে ক্লাস পরিচালনা করতে হচ্ছে, যা বিশেষ করে বর্ষা মৌসুমে মারাত্মক দুর্ঘটনার আশঙ্কা তৈরি করে।
ঝুঁকিপূর্ণ ভবনগুলো পরিত্যক্ত ঘোষণা করে জরুরি ভিত্তিতে নতুন অবকাঠামো নির্মাণের জন্য প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলনের বিশেষ সহযোগিতা ও সুপারিশ কামনা করা হয়েছে।
নতুন ভবনের সুপারিশ করা বিদ্যালয়সমূহ: ১৫নং পৈলারকান্দি ইউনিয়নের দুর্গাপুর পূর্বপাড়া সপ্রাবি, ৫নং দৌলতপুর ইউনিয়নের আড়িয়ামুগুর সপ্রাবি,৬নং কাগাপাশা ইউনিয়নের হলিমপুর সপ্রাবি, ৯নং পুকড়া ইউনিয়নের রূপাপেল সপ্রাবি,৮নং খাগাউড়া ইউনিয়নের জগন্নাথপুর তাজপুর সপ্রাবি, ৫নং দৌলতপুর ইউনিয়নের দমারগাঁও সপ্রাবি, ৯নং পুকড়া ইউনিয়নের দৌলতপুর সপ্রাবি,১৫নং পৈলারকান্দি ইউনিয়নের বিজয়পুর সপ্রাবি, ১৫নং পৈলারকান্দি ইউনিয়নের আলমনগর সপ্রাবি,৮নং খাগাউড়া ইউনিয়নের সাদকপুর সপ্রাবি ও ৫নং দৌলতপুর ইউনিয়নের তেলঘরি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়।
প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন দ্রুত এই ডিও লেটারটি পর্যালোচনা করে শিক্ষার্থীদের সুরক্ষায় তাৎক্ষণিক অবকাঠামোগত অনুমোদন ও বাস্তবায়ন প্রক্রিয়ার সুপারিশ করেছেন।
সংসদ সদস্যের এই উদ্যোগকে সাধুবাদ জানিয়ে দ্রুত নতুন ভবন নির্মাণের অনুমোদন চান উপজেলার সচেতন নাগরিক ও অভিভাবকবৃন্দ।