• শুক্রবার, ০৬ নভেম্বর ২০২৬, ০৮:১২ পূর্বাহ্ন
Headline
বানিয়াচংয়ে কৃষকের ৪২ শতক জমির টমেটো চারা কেটে দিল দুর্বৃত্তরা-ক্ষতি ১২ লাখ টাকা ! বানিয়াচংয়ের চার কলেজে পাস ৮৩৭ জন, ফেল করেছে ৮৬৪ জন-জিপিএ৫ মাত্র ২ জন। নাটক ছিল অপহরণকাণ্ডের : প্রযুক্তির সহায়তায় উদ্ধার হল জুয়েল বানিয়াচংয়ে জুয়েল মিয়ার অপহরণ নিয়ে রহস্য-মুক্তিপণ দাবি ১০ লাখ টাকা ! হবিগঞ্জে অবসরপ্রাপ্ত ২৬ কর্মচারীকে জেলা প্রশাসনের বিদায়ী সংবর্ধনা আজমিরীগঞ্জে ৩ মাস ধরে ইউএনও নেই : প্রজ্ঞাপনের পরও যোগদান করেননি নতুন কর্মকর্তা সংবাদ প্রকাশের পর ব্যাটারি পুড়িয়ে শীসা তৈরির কারখানা সরিয়ে নিল কর্তৃপক্ষ বানিয়াচং-শিবপাশা রোডে ব্যাটারি পুড়িয়ে সীসা তৈরি : কারখানার বিষয়ে অবগত নয় পরিবেশ অধিদপ্তর প্রতিমা বিসর্জনে শেষ হলো শারদীয় দুর্গাপূজা-বিষাদে বিদায় নিলেন দেবী দুর্গা বানিয়াচং মডেল প্রেসক্লাবের অভিষেক অনুষ্ঠানে দুই গুণী ব্যক্তিকে সম্মাননা প্রদান

বানিয়াচং স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স : হামের রোগীর পাশাপাশি বাড়ছে নানা রোগে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা

বিশেষ প্রতিনিধি / ১৫৪ Time View
Update : সোমবার, ৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

হবিগঞ্জের বানিয়াচং উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে হামের রোগীর পাশাপাশি বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যাও দিন দিন বাড়ছে। রোগীর চাপ বেড়ে যাওয়ায় পর্যাপ্ত শয্যা না থাকায় হাসপাতালের বারান্দায় রেখেই অনেক রোগীকে চিকিৎসাসেবা দেওয়া হচ্ছে।

হাসপাতাল সূত্রে জানা যায়, সাম্প্রতিক সময়ে হামে আক্রান্ত শিশুদের পাশাপাশি জ্বর, সর্দি-কাশি, শ্বাসকষ্ট, ডায়রিয়াসহ নানা রোগে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা বেড়েছে। প্রতিদিন বহির্বিভাগ ও ভর্তি রোগীর চাপ সামলাতে হিমশিম খেতে হচ্ছে চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মীদের।

সরেজমিনে দেখা যায়, হাসপাতালের নির্ধারিত ওয়ার্ডগুলোতে শয্যার তুলনায় রোগীর সংখ্যা বেশি। ফলে অনেক রোগীকে শয্যা না পেয়ে বারান্দায় অবস্থান করতে হচ্ছে। বিশেষ করে শিশু ও বয়স্ক রোগীদের নিয়ে স্বজনদের দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে।

রোগীর স্বজনরা জানান, অসুস্থ অবস্থায় রোগীদের বারান্দায় রেখে চিকিৎসা করানো কষ্টকর। একদিকে রোগীর ভিড়, অন্যদিকে পর্যাপ্ত শয্যার সংকট—সব মিলিয়ে চিকিৎসাসেবা নিতে এসে বাড়তি ভোগান্তিতে পড়তে হচ্ছে তাদের।

জোবায়ের নামে একজন রোগীর স্বজন বলেন, হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে এসেছি। কিন্তু বেড না থাকায় বারান্দায় রোগীকে রাখতে হয়েছে। অসুস্থ মানুষকে এভাবে রাখা খুবই কষ্টের। স্থানীয়রা বলছেন, বানিয়াচং একটি বড় উপজেলা। প্রতিদিন উপজেলার বিভিন্ন প্রান্ত থেকে বিপুলসংখ্যক মানুষ চিকিৎসা নিতে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে আসেন।

রোগীর সংখ্যা বিবেচনায় হাসপাতালের শয্যা ও প্রয়োজনীয় সুযোগ-সুবিধা বাড়ানো জরুরি। রোগীর চাপ স্বাভাবিকের তুলনায় বেড়েছে। বিশেষ করে হামের রোগীর পাশাপাশি অন্যান্য রোগীও ভর্তি হওয়ায় শয্যা সংকট দেখা দিয়েছে। পরিস্থিতি সামাল দিতে হাসপাতালের পক্ষ থেকে সর্বোচ্চ চেষ্টা করা হচ্ছে।

স্থানীয়দের দাবি, রোগীর ক্রমবর্ধমান চাপ বিবেচনায় দ্রুত অতিরিক্ত শয্যার ব্যবস্থা, প্রয়োজনীয় জনবল বৃদ্ধি এবং হাসপাতালের অবকাঠামোগত সুযোগ-সুবিধা বাড়ানো হোক। এতে সংকটাপন্ন রোগীদের বারান্দায় রেখে চিকিৎসা দেওয়ার মতো পরিস্থিতি অনেকটাই কমে আসবে।

বানিয়াচং উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা (ইউএইচএফপিও) ডা. শামীমা আক্তার বলেন, হামের রোগীর পাশাপাশি অন্যান্য রোগে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যাও বর্তমানে কিছুটা বেড়েছে। প্রতিদিনই বিভিন্ন বয়সী রোগী চিকিৎসা নিতে হাসপাতালে আসছেন।

রোগীর চাপ বেশি থাকলেও আমরা আমাদের সামর্থ্য অনুযায়ী সর্বোচ্চ সেবা দেওয়ার চেষ্টা করছি। বিশেষ করে শিশুদের ক্ষেত্রে হামের উপসর্গ, জ্বর, শ্বাসকষ্ট বা নিউমোনিয়ার লক্ষণ দেখা দিলে দ্রুত হাসপাতালে নিয়ে আসার পরামর্শ দিচ্ছি। তিনি আরও বলেন, হামসহ সংক্রামক রোগ প্রতিরোধে অভিভাবকদের সচেতন হতে হবে।

শিশুদের টিকাদান নিশ্চিত করা, অসুস্থ ব্যক্তিকে অন্যদের থেকে আলাদা রাখা এবং চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া ওষুধ না খাওয়ানো জরুরি। হাসপাতালের চিকিৎসাসেবা কার্যক্রম স্বাভাবিক রাখতে চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মীরা নিয়মিত দায়িত্ব পালন করছেন।

 


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category

ফেসবুকে আমরা