• বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর ২০২৬, ০১:৪৯ অপরাহ্ন
Headline
প্রতিমা বিসর্জনে শেষ হলো শারদীয় দুর্গাপূজা-বিষাদে বিদায় নিলেন দেবী দুর্গা বানিয়াচং মডেল প্রেসক্লাবের অভিষেক অনুষ্ঠানে দুই গুণী ব্যক্তিকে সম্মাননা প্রদান ডেঙ্গু ও চিকুনগুনিয়া প্রতিরোধে হবিগঞ্জে জেলা তথ্য অফিসের স্টিকার বিতরণ বানিয়াচংয়ে দুর্গাপূজার নবমীতে মণ্ডপে মণ্ডপে ভক্তদের ঢল : বিদায়ের অপেক্ষায় দেবী দুর্গা বানিয়াচংয়ের গর্ব শরফ উদ্দিন আহমদ চৌধুরী পেলেন বাণিজ্য সচিবের দায়িত্ব মীম নিখোঁজের এক মাস-পুলিশের বক্তব্য ‘আমরা কাজ করে যাচ্ছি’ “৩৭ জনের ক্ষত শুকায়নি-আবারও নিখোঁজ হবিগঞ্জের ১০ জন—উদ্বেগে ভাটির জনপদ” হবিগঞ্জে মানবতা ও সাম্যের বাণীতে লালন সাঁইকে স্মরণ দলীয় ফোরাম উপেক্ষা করে ফেসবুকে মনগড়া অভিযোগ : বিব্রত বানিয়াচং বিএনপি শান্তিপূর্ণ দুর্গাপূজা আয়োজনে তৎপর হবিগঞ্জ জেলা প্রশাসন

রাতারগুল জলারবনে বিশ্ব পরিবেশ দিবস পালন : বৃক্ষরোপণ ও প্লাস্টিকমুক্ত অভিযানে সচেতনতা

স্টাফ রিপোর্টার / ১৮৯ Time View
Update : শনিবার, ৬ জুন, ২০২৬

সিলেটের গোয়াইনঘাট উপজেলার প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের লীলাভূমি রাতারগুল জলারবনে বিশ্ব পরিবেশ দিবস উপলক্ষে অনুষ্ঠিত হয়েছে ব্যতিক্রমধর্মী পরিবেশ সংরক্ষণ কর্মসূচি। “ধরিত্রী রক্ষায় আমরা (ধরা)” এবং পরিবেশ ও ঐতিহ্য সংরক্ষণ ট্রাস্ট, সিলেটের যৌথ উদ্যোগে শনিবার (৬ জুন) বেলা ১১টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত এই কর্মসূচি পালিত হয়।

ধরিত্রী রক্ষায় আমরা (ধরা) সিলেট শাখার আহ্বায়ক ও পরিবেশ ঐতিহ্য সংরক্ষণ ট্রাস্ট, সিলেটের সভাপতি ডা. মোস্তফা শাহজামান চৌধুরী বাহার এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন- ধরার সংগঠক মেট্রোপলিটন ইউনিভার্সিটির ভাইস চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. মোহাম্মদ জহিরুল হক।

কর্মসূচি শেষে আয়োজিত আলোচনা সভায় সিলেট মেট্রোপলিটন ইউনিভার্সিটির ভাইস চ্যান্সেলর (ভিসি) ড. মোহাম্মদ জহিরুল হক শাকিল বলেন, “পরিবেশ রক্ষায় শুধু সচেতনতা নয়, কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণ অত্যন্ত জরুরি। রাতারগুলের মতো সংবেদনশীল পরিবেশকে রক্ষা করতে সকলের সম্মিলিত প্রচেষ্টা প্রয়োজন।”

তিনি আরো বলেন, রাতারগুল প্রাকৃতিক পর্যটন এলাকা হওয়ায় এখানে পর্যটকদের ভ্রমন ও বনের ভেতর পরিদর্শনের সময় বিশেষ সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে। টেকসই পর্যটন হলো পরিবেশ ও প্রতিবেশবান্ধব। জীববৈচিত্রের অস্তিত্বের জন্য সংবেদনশীল কাজ থেকে পর্যটকদের বিরত থাকতে হবে।

অনুষ্ঠানের অংশ হিসেবে জলারবনের মাঝের ঘাট এলাকায় ফলজ, ঔষধি ও বনজ বিভিন্ন প্রজাতির গাছের চারা রোপণ করা হয়। পাশাপাশি বন ও বনসংলগ্ন এলাকা থেকে পাঁচ বস্তারও বেশি প্লাস্টিক ও পলিথিন বর্জ্য সংগ্রহ করে তা ধ্বংস করা হয়।

সভায় স্বাগত বক্তব্য রাখেন পরিবেশ আন্দোলনের সংগঠক আব্দুল করিম কিম।

অনুষ্ঠানে বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ, স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন। সার্বিকভাবে এই উদ্যোগটি পরিবেশ সংরক্ষণে জনসচেতনতা বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category

ফেসবুকে আমরা