• বুধবার, ০৪ নভেম্বর ২০২৬, ০৮:৩২ অপরাহ্ন
Headline
বানিয়াচংয়ে কৃষকের ৪২ শতক জমির টমেটো চারা কেটে দিল দুর্বৃত্তরা-ক্ষতি ১২ লাখ টাকা ! বানিয়াচংয়ের চার কলেজে পাস ৮৩৭ জন, ফেল করেছে ৮৬৪ জন-জিপিএ৫ মাত্র ২ জন। নাটক ছিল অপহরণকাণ্ডের : প্রযুক্তির সহায়তায় উদ্ধার হল জুয়েল বানিয়াচংয়ে জুয়েল মিয়ার অপহরণ নিয়ে রহস্য-মুক্তিপণ দাবি ১০ লাখ টাকা ! হবিগঞ্জে অবসরপ্রাপ্ত ২৬ কর্মচারীকে জেলা প্রশাসনের বিদায়ী সংবর্ধনা আজমিরীগঞ্জে ৩ মাস ধরে ইউএনও নেই : প্রজ্ঞাপনের পরও যোগদান করেননি নতুন কর্মকর্তা সংবাদ প্রকাশের পর ব্যাটারি পুড়িয়ে শীসা তৈরির কারখানা সরিয়ে নিল কর্তৃপক্ষ বানিয়াচং-শিবপাশা রোডে ব্যাটারি পুড়িয়ে সীসা তৈরি : কারখানার বিষয়ে অবগত নয় পরিবেশ অধিদপ্তর প্রতিমা বিসর্জনে শেষ হলো শারদীয় দুর্গাপূজা-বিষাদে বিদায় নিলেন দেবী দুর্গা বানিয়াচং মডেল প্রেসক্লাবের অভিষেক অনুষ্ঠানে দুই গুণী ব্যক্তিকে সম্মাননা প্রদান
/ গ্রাম বাংলা
হবিগঞ্জের বানিয়াচং উপজেলায় এনসিপির আহ্বায়ক জীবন আহমেদ লিটনের বিরুদ্ধে ধর্ষণ চেষ্টার গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তুমুল আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয় read more
বানিয়াচং এল.আর সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রাক্তন শিক্ষক, সর্বজন শ্রদ্ধেয় বাবু তপন কুমার বিশ্বাস স্যার—একটি নাম, একটি অনুপ্রেরণা, একটি আলোর পথপ্রদর্শক। শিক্ষকতা শুধু একটি পেশা নয়, এটি একটি মহান ব্রত—এই সত্যটি
বানিয়াচংসহ আশপাশের বিভিন্ন বাজারে এখন রাসায়নিক মিশ্রিত আমে সয়লাব বলে অভিযোগ উঠেছে। মৌসুমের শুরুতেই আকর্ষণীয় রঙ ও দ্রুত পাকানো এসব আমে ভরছে বাজার, তবে এর পেছনে ব্যবহৃত ক্ষতিকর রাসায়নিক নিয়ে
হবিগঞ্জের বানিয়াচং উপজেলায় বিদ্যুত সংকট চরম আকার ধারণ করেছে। ঘন ঘন লোডশেডিংয়ে জনজীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। দিনের পর দিন নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুত না থাকায় ভোগান্তিতে পড়েছেন সাধারণ মানুষ, ব্যবসায়ী ও শিক্ষার্থীরা।
এক সময় গ্রামবাংলার প্রতিটি উঠান, চায়ের দোকান কিংবা পানের টঙে দেখা মিলত হুক্কার ধোঁয়া আর গল্পের আসর। বয়স্ক থেকে শুরু করে মধ্যবয়সী মানুষদের আড্ডার অন্যতম অনুষঙ্গ ছিল এই হুক্কা। কিন্তু
হবিগঞ্জের আজমিরীগঞ্জ উপজেলার ভাটি অঞ্চলে কুশিয়ারা নদীর তীরে এক সময়ের দর্শকপ্রিয় বিনোদন কেন্দ্র ‘মুন সিনেমা হল’ এখন পরিত্যক্ত এক স্মৃতিচিহ্নে পরিণত হয়েছে। লঞ্চঘাট সংলগ্ন এই সিনেমা হলটি এক সময় ছিল
বানিয়াচং-হবিগঞ্জ রাস্তায় প্রতিদিন অসংখ্য সিএনজি চলাচল করে। সেই সিএনজি চালকদের ভিড়ের মাঝেই একজন ভিন্নধর্মী মানুষ হলেন জিতু মিয়া । জীবিকার তাগিদে তিনি যেমন সিএনজি চালান, তেমনি নিজের সৃজনশীলতা দিয়ে গড়ে
টানা কয়েকদিনের মেঘলা আকাশ আর অসময়ের বৃষ্টির পর অবশেষে দেশের দিগন্তজোড়া মাঠে দেখা মিলেছে সোনালী রোদের। মেঘ কাটিয়ে সূর্যের এই হাসিতে প্রাণ ফিরেছে কৃষি ও কৃষকের মাঝে। মাঠের পর মাঠ

ফেসবুকে আমরা